“পিপিআর ২০২৫” এর প্রজ্ঞাপন জারী
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫ (পিপিআর ২০২৫) জারী হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরীবিক্ষন ও মূল্যায়ন বিভাগ কর্তৃক প্রজ্ঞাপনটি জারী করা হয়েছে।
এর আগে গত ৪ঠা মে ২০২৫ ইং তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” জারী করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশের আলোকেই বর্তমানে পিপিআর ২০২৫ (PPR-2025) প্রকাশ করা হলো।
“পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” আলোকেই পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮ (পিপিআর ২০০৮) এর প্রয়োজনীয় সংশোধনী নিয়ে প্রায় ৪ মাস ব্যাপী দীর্ঘ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় তা পিপিআর ২০০৮ এর সংশোধনী না হয়ে একেবারে নতুন ভাবে পিপিআর ২০২৫ নামে প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়েছে। ফলে বার বার সংশোধনীতে কাটাছেড়া করার চেয়ে নতুন ভাবে বিধিমালা জারী করা ভাল উদ্যোগ হয়েছে বলে সবাই মনে করছেন।
বিস্তারিত দেখুনঃ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫ (পিপিআর ২০২৫)
বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখতে হবে যে,
- পিপিআর, ২০২৫ জারি হওয়ার পূর্বদিন পর্যন্ত যে সকল ক্রয়কারী তাদের ক্রয় কার্যের দরপত্র বিজ্ঞপ্তি বা আগ্রহব্যক্তকরণের অনুরোধপত্র জারি করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে পূর্বতন পিপিআর, ২০০৮ প্রযোজ্য হবে।
- পিপিআর, ২০২৫ জারি হওয়ার তারিখে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ও দরপত্র দলিল জারি হওয়ার পূর্বাবস্থায় কোনো ক্রয়কারী ক্রয়ের যে ধাপেই থাকুক না কেনো, তাদের পিপিআর, ২০২৫ অনুসরণে ক্রয়কার্ধের সকল ধাপ প্রতিপালন করতে হবে।
প্রকিউরমেন্টবিডি.কম এ অচিরেই পিপিআর ২০২৫ এর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। চোখ রাখুন প্রকিউরমেন্টবিডি.কম এ।
ইতিপূর্বে সরকার থেকে দাবী করা হয়েছিল টেন্ডারে সিন্ডিকেট ভাঙতেই প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশ জারী করা হয়েছে। এ বিষয়ে দেখুনঃ অবশেষে সরকারি কেনাকাটায় ১০% মার্জিন বাতিল
এর আগে, বিপিপিএ’র তত্ত্বাবধানে পিপিআর ২০০৮ এর খসড়া সংশোধনী বিষয়ে National Trainers, আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রতিনিধি, দরপত্রদাতা, মিডিয়া, ইত্যাদি বিভিন্ন Stakeholders মতামত গ্রহন করা হয়েছিল। অতঃপর এই পিপিআর ২০০৮-এর ৮ম সংশোধনী চুড়ান্ত করা হয়েছিল। এই সংশোধনী জারীর বিষয়ে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অংশীজন বা Stakeholders সবাই অধীর আগ্রহে এতদিন অপেক্ষা করছিল। অবশেষে প্রায় ৪ মাসের অপেক্ষার পরিসমাপ্তি হলো।
“পিপিআর ২০২৫” এর প্রজ্ঞাপন জারী হয়েছে, এখন এরপর কি ? এ বিষয়ে জানতে চোখ রাখুন প্রকিউরমেন্টবিডি.কম এ।
এই মূহুর্ত থেকে কার্যকর হতে যাওয়া পিপিআর ২০২৫ সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে। তবে, ই-জিপি (e-GP) পোর্টালের মাধ্যমে ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই সংশোধনীর আলোকে দরপত্র দলিল, প্রসেস, ইত্যাদিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন লাগবে। অন্যথায়, ই-জিপিতে তা বাস্তবায়ন করা যাবে না। বেশিরভাগ দরপত্রই যেহেতু বর্তমানে ই-জিপি (e-GP) পোর্টালের মাধ্যমে হচ্ছে, কাজেই কার্যকর ফলাফল পাওয়ার জন্য এখন জরুরী ভিত্ততে ই-জিপি (e-GP) পোর্টালেও প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। এ বিষয়ে বিপিপিএ (BPPA) থেকে নির্দেশনা দেয়া হবে মর্মে আশা করা যাচ্ছে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

Balancing Discretion and Equal Treatment: Insights from the CJEU’s Landmark Ruling
In 2026, the Court of Justice of the European Union (CJEU) delivered a landmark ruling in Case C-590/24 AK Dlhopolec

Procurement-এ flexibility আছে, কিন্তু তা সীমাহীন নয়ঃ ইউরোপের সর্বোচ্চ আদালত
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনে ২০২৬ সালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রায়গুলোর একটি হলো Case C-590/24 AK Dlhopolec and Others। এই মামলাটি

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস