গাড়ি কেনা বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার
নতুন গাড়ি কেনা বন্ধের সিদ্ধান্তের এক মাস না যেতেই কৃচ্ছ্রসাধনের নীতি থেকে সরে এসেছে সরকার। গত ৩১.০৭.২০২৩ ইং তারিখে নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের জন্য গাড়ি কেনার পথ খুলে দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। এর আগে গত ২ জুলাই অর্থ বিভাগ এক পরিপত্রের মাধ্যমে নতুন যানবাহন কেনা বন্ধের কথা জানিয়েছিল।
সরকারি কর্মচারীদের জন্য গাড়ি কেনার পথ খুলে দেওয়ার পাশাপাশি গাড়ির বাজেটও বাড়ানো হয়েছে। তাতে সরকারে শীর্ষ (গ্রেড ১ ও ২ পর্যায়ের) কর্মচারীরা পাবেন আগের চেয়ে বেশি দামি গাড়ি। এত দিন গাড়িবাবদ সর্বোচ্চ বরাদ্দ ছিল ৯৪ লাখ টাকা। এখন তা বাড়িয়ে ১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। অর্থ বিভাগ রেজিস্ট্রেশন, শুল্ক-করসহ গাড়ির দাম নির্ধারণ করে নতুন নির্দেশনাটি দিয়েছে।
তবে চার শ্রেণির যানবাহনবাবদ বরাদ্দ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নন-এসি মিনিবাস, ৫ টনের ট্রাক, ৩ টনের ট্রাক এবং মোটরসাইকেল।
চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে ‘পরিবহন সরঞ্জামাদি’ খাতে যে ৬ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে, তা থেকেই এসব গাড়ি কেনা হবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এ খাতে ৮ হাজার ৮০ কোটি টাকার বরাদ্দ থাকলেও সরকারের কৃচ্ছ্রনীতির কারণে সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ৪ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা করা হয়।
অর্থ বিভাগের নির্দেশনায় উল্লেখ না থাকলেও বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার সূত্র মতে, ১০ বছরের পুরোনো গাড়ির বদলে নতুন গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে নির্দেশনাটি কার্যকর হবে। অর্থ বিভাগ থেকে নতুন দায়িত্ব পেয়ে আরেকটি দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা পদে কাজ করছেন এমন এক কর্মকর্তা আগের গাড়িতে আর চড়তে চাইছেন না। তাঁর জন্যই নতুন গাড়ি কেনার এ কৌশল বের করেছে অর্থ বিভাগ।
অনেকের মতে, আর গাড়ির মূল্য বৃদ্ধি অমূলক নয়। ডলারের তুলনায় বাংলাদেশি টাকার অবমূল্যায়ন হওয়া এবং বিশ্ববাজারে গাড়ির দাম বেড়ে যাওয়া – উভয় কারণ বিবেচনায় রেখেই নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্দেশনাটি দেখুনঃ সরকারি ক্রয়ে বিভিন্ন ধরণের যানবাহনের মূল্য কত হবে ?
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

কনসালট্যান্টের প্রাথমিক চুক্তি ১৮ মাসের। একবার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন আবারও ১০০% সময় বৃদ্ধি লাগবে। করা যাবে কি না ? PPR-০৮ নাকি ২৫ অনুসরণ হবে ?
উন্নয়ন প্রকল্পে ৩ লাখ টাকা বেতনে পিপিআর ২০০৮ অনুযায়ী একজন কনসালট্যান্টের ১৮ মাসের জন্য ৫৪ লক্ষ টাকার প্রাথমিক চুক্তি ছিল।

মন্ত্রীদের প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষমতায় লাগামঃ নতুন বার্তা
বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এতদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা স্ব-শাসিত সংস্থা

আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০২৬ জারীঃ সরকারি ক্রয় ও ব্যয় প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন
দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো পরিবর্তন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০১৫’ বাতিল

ই-জিপিতে Individual Consultant হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
বর্তমান প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধি অনুযায়ি সব ধরনের দরপত্র অনলাইনে করতে হবে। সে হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (e-GP)