সরকারি দরপত্রে এনজিওদের অংশগ্রহণঃ যুক্তি-তর্ক-বিতর্ক
বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি সরকারি ক্রয় আইন সংশোধন করেছে যাতে এনজিও (NGO) বিষয়ক কিছু পরিবর্ধন করা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর মাধ্যমে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এর ধারা ২ এর দফা ২৩ এ “ব্যক্তি” এর সংজ্ঞায় বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) যুক্ত করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ এবং প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত দেখুনঃ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
এখন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিতর্কের বিষয় — “NGO (বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা) প্রতিষ্ঠানগুলো কি সাধারণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মতো সরকারি দরপত্রে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা ?” … … … এ বিষয়ে আমরা দুই দিক থেকেই আলোচনা করতে পারি: পক্ষে এবং বিপক্ষে যুক্তি। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও আলোকপাত করা হবে।
বিস্তারিত জানতে লগইন করুন।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

কনসালট্যান্টের প্রাথমিক চুক্তি ১৮ মাসের। একবার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন আবারও ১০০% সময় বৃদ্ধি লাগবে। করা যাবে কি না ? PPR-০৮ নাকি ২৫ অনুসরণ হবে ?
উন্নয়ন প্রকল্পে ৩ লাখ টাকা বেতনে পিপিআর ২০০৮ অনুযায়ী একজন কনসালট্যান্টের ১৮ মাসের জন্য ৫৪ লক্ষ টাকার প্রাথমিক চুক্তি ছিল।

মন্ত্রীদের প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষমতায় লাগামঃ নতুন বার্তা
বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এতদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা স্ব-শাসিত সংস্থা

আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০২৬ জারীঃ সরকারি ক্রয় ও ব্যয় প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন
দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো পরিবর্তন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০১৫’ বাতিল

ই-জিপিতে Individual Consultant হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
বর্তমান প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধি অনুযায়ি সব ধরনের দরপত্র অনলাইনে করতে হবে। সে হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (e-GP)