সরকারি দরপত্রে এনজিওদের অংশগ্রহণঃ যুক্তি-তর্ক-বিতর্ক
বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি সরকারি ক্রয় আইন সংশোধন করেছে যাতে এনজিও (NGO) বিষয়ক কিছু পরিবর্ধন করা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর মাধ্যমে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এর ধারা ২ এর দফা ২৩ এ “ব্যক্তি” এর সংজ্ঞায় বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) যুক্ত করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ এবং প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত দেখুনঃ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
এখন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিতর্কের বিষয় — “NGO (বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা) প্রতিষ্ঠানগুলো কি সাধারণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মতো সরকারি দরপত্রে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা ?” … … … এ বিষয়ে আমরা দুই দিক থেকেই আলোচনা করতে পারি: পক্ষে এবং বিপক্ষে যুক্তি। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও আলোকপাত করা হবে।
বিস্তারিত জানতে লগইন করুন।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

অধ্যাদেশ রহিত, “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬” গেজেটভুক্ত
অদ্য ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬” এর গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এটি ২০২৬ সনের ৪১ নং

e-GP তে সম্প্রতি (ডিসেম্বর’২৫ – মার্চ’২৬) যে বিষয়গুলো যুক্ত হয়েছে
সরকারি কেনাকাটার প্লাটফর্ম ই-জিপি (e-GP: Electronic Govt Procurement) সিস্টেমটিকে আরও দক্ষ ও উন্নত করার জন্য প্রায়শই আপডেট করা হয় এবং

Goods চুক্তিতে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে পিপিআর ২০২৫ এ কি আছে ?
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গত ৪ঠা মে ২০২৫ ইং তারিখে “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” এবং ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে

সব দরপত্র মূল্যায়নে বাদ পরলে কি হবে ?
সরকারি ক্রয় আইন/বিধি অনুযায়ি দরপত্র মূল্যায়ন খুব সহজ কাজ নয়। অনেক সময় দেখা যায় দরপত্র ঠিকঠাক মতো দাখিল করা হয়