সরকারি দরপত্রে এনজিওদের অংশগ্রহণঃ যুক্তি-তর্ক-বিতর্ক
বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি সরকারি ক্রয় আইন সংশোধন করেছে যাতে এনজিও (NGO) বিষয়ক কিছু পরিবর্ধন করা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর মাধ্যমে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এর ধারা ২ এর দফা ২৩ এ “ব্যক্তি” এর সংজ্ঞায় বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) যুক্ত করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ এবং প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত দেখুনঃ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
এখন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিতর্কের বিষয় — “NGO (বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা) প্রতিষ্ঠানগুলো কি সাধারণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মতো সরকারি দরপত্রে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা ?” … … … এ বিষয়ে আমরা দুই দিক থেকেই আলোচনা করতে পারি: পক্ষে এবং বিপক্ষে যুক্তি। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও আলোকপাত করা হবে।
বিস্তারিত জানতে লগইন করুন।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০২৬ জারীঃ সরকারি ক্রয় ও ব্যয় প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন
দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো পরিবর্তন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০১৫’ বাতিল

ই-জিপিতে Individual Consultant হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
বর্তমান প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধি অনুযায়ি সব ধরনের দরপত্র অনলাইনে করতে হবে। সে হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (e-GP)

ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য
বর্তমানে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (e-GP) পোর্টালে জাতীয় ব্যক্তিগত পরামর্শকদের (Individual Consultant) জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি ৫,০০০ টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাপ্লাই চেইন ডিউ ডিলিজেন্স লঃ প্রকিউরমেন্ট প্রফেশনালদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা
আগে প্রকিউরমেন্ট বা কেনাকাটার মূল মন্ত্র ছিল – “সস্তায় এবং দ্রুততম সময়ে পণ্য আনা”। কিন্তু ২০২৪ সালের পরে এই সমীকরণটি