প্রায় ৮০ হাজার কোম্পানি অস্তিত্বহীন
কয়েক মাস আগে আরজেএসসির সহায়তায় অস্তিত্বহীন প্রায় ৮০ হাজার কোম্পানির খোঁজ পায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিশেষ টাস্কফোর্স। যেসব কোম্পানির কোনো কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) নেই।
গত জুন মাস পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ৮৬ হাজার নিবন্ধিত কোম্পানি আছে। সবার প্রতিবছর বার্ষিক রিটার্ন দেওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৪০ শতাংশ বা ৭৪-৭৫ হাজার কোম্পানি নিয়মিত রিটার্ন দেয়। এই সংখ্যা কখনো কখনো ৮০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। বাকি এক লাখ কোম্পানি রিটার্ন দেয় না।
শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারিগন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। এক বছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে ক্লিক করুন।
বিলম্ব মাশুল দিয়ে রিটার্ন দেওয়ার আইনি সুযোগ থাকায় অনেক কোম্পানি মালিক নিয়মিত রিটার্ন দেন না। অনেক উদ্যোক্তা কোম্পানি নিবন্ধন নিলেও পরে আর তা চালু করে না। ফলে এসব কোম্পানি কাগুজে হয়ে গেছে।
ব্যবসা চালু থাকুক আর না–ই থাকুক আয়কর আইন অনুযায়ী এসব কোম্পানিকে টিআইএন নিতে হবে, বছর শেষে রিটার্নও দিতে হবে। কিন্তু তদারকির অভাবে এই কোম্পানিগুলো সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো খোঁজ জানে না আরজেএসসি।
আবার, আইনি জটিলতার কারণে ব্যবস্থা নেয়া যায় না। কোম্পানির নিবন্ধন নেওয়ার পর কত দিনের মধ্যে পরিচালনা কার্যক্রম শুরু করতে হবে, সে বিষয়ে আইনি কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। প্রতিবছর রিটার্ন বা বার্ষিক বিবরণী জমা দেওয়ার কথা থাকলেও আইনি ফাঁকফোকরের কারণে অনেক কোম্পানি নিয়মিত রিটার্ন দেয় না। নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানি যদি বার্ষিক বিবরণী আরজেএসসিতে জমা দিতে না পারে, তাহলে প্রথম তিন বছরে প্রতিবছরের জন্য ৫০০ টাকা এবং ৩ বছর পর প্রতিবছরের জন্য ৭০০ টাকা বিলম্ব মাশুল আরোপের বিধান রয়েছে। এভাবে বছরের পর বছর রিটার্ন না দিয়েও পার পাওয়া যায়।
বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর সামগ্রিক বিষয়ে প্রথম আলোকে বলেন, আরজেএসসি থেকে নিবন্ধন নেওয়ার পর হাজার হাজার কোম্পানি এনবিআর থেকে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ও ব্যবসায় শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) নেয় না। কর ফাঁকি দেওয়াই এসব কোম্পানির মূল উদ্দেশ্য। ফলে রাজস্ব ব্যবস্থায় এসব কোম্পানি অস্তিত্বহীন হিসেবে থেকে যাচ্ছে। আমদানির শর্ত পূরণ করতে কিছু কোম্পানি টিআইএন নিলেও বছর শেষে রিটার্ন দেয় না। মূলত ঋণ পেতেই এসব কাগুজে কোম্পানি গঠন করার অভিযোগ আছে।
এখন ওই সব কোম্পানিকে খুঁজে খুঁজে টিআইএন নিতে বাধ্য করা দরকার। এজন্য প্রথমেই আরজেএসসি কে শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

একটি ভাইরাল পণ্যের উত্থান-পতন: Labubu সাপ্লাই-চেইন কেস স্টাডি
চীনের বিখ্যাত খেলনা কোম্পানি পপ মার্ট (Pop Mart)-এর Labubu নামের একটি খেলনাটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক ভোক্তা আচরণ, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং

e-GP টেন্ডারে TEC সদস্যদের Declaration কি হার্ডকপিতে আলাদা দিতে হবে ?
সরকারি টেন্ডারে সরকারি ক্রয় বিধিমালা মোতাবেক দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি (Tender Evaluation Committee – TEC) গঠন করতে হয়। এই কমিটি দরপত্র মূল্যায়ন

দরপত্র মূল্যায়নে TEC সদস্যদের কতগুলো ঘোষণা (Declaration) দিতে হয় ?
সরকারি টেন্ডারে সরকারি ক্রয় বিধিমালা মোতাবেক দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি (Tender Evaluation Committee – TEC) গঠন করতে হয়। এই কমিটি দরপত্র মূল্যায়ন

Specification Trap: Lessons from the DYKA Case
Technical specification determination in public procurement is a highly sensitive matter because it dictates how open or restricted competition will