এখানে কয়েকটি বিধি নিয়ে তুলে ধরা হলো। তবে পাঠকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এই “প্রকিউরমেন্টবিডি” তে উল্লেখিত আইন বা বিধির কোন ধারা বা বিধিমালার কোন বিষয় যাচাই ব্যতীত ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে। এখানে ব্যবহৃত যে কোন ধারা বা বিধি শুধু মাত্র বিভিন্ন আলোচনা ও সংশ্লিষ্ট প্রেক্ষাপট সহজে বোধগম্য করার জন্য উল্লেখ করা হয়েছে। বাস্তবিক প্রয়োজনে BPPA এর ওয়েব-সাইটে সংযুক্ত আইন বা বিধিমালা থেকে তা ব্যবহার করতে হবে।
তৃতীয় অধ্যায়
ক্রয়সংক্রান্ত নীতিসমূহ
অংশ-৫
ক্রয় অনুমোদন প্রক্রিয়া, চুক্তিসম্পাদন নোটিশ এবং উহা প্রকাশ
৪৭। দরপত্র বা প্রস্তাব অনুমোদন।—
(১) আইন ও এই বিধিমালার বিধান যথাযথভাবে অনুসরণক্রমে, অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ আইনের ধারা ৮-এর অধীন মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবে।
(২) মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ সামগ্রিকভাবে বিবেচনা করিয়া সুপারিশকৃত চুক্তিমূল্যের ভিত্তিতে নির্ধারিত অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ –
(ক) উক্ত সুপারিশ অনুমোদন করিতে পারিবে; বা
(খ) উক্ত সুপারিশ সম্পর্কিত কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয়ে ক্রয়কারীর মাধ্যমে উক্ত কমিটির নিকট হইতে ব্যাখ্যা আহ্বান করিতে পারিবে; বা
(গ) কারণ ব্যাখ্যা প্রদানপূর্বক –
(অ) উক্ত সুপারিশ বাতিলক্রমে পুনর্মূল্যায়নের জন্য উক্ত কমিটিকে অনুরোধ করিতে পারিবে; বা
(আ) উক্ত সুপারিশ বাতিল করিয়া আইন ও এই বিধিমালার বিধান অনুসরণক্রমে নূতন ভাবে ক্রয় কার্য পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।
(৩) ‘কোম্পানী আইন, ১৯৯৪’ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন)-এর অধীন নিবন্ধিত কোনো কোম্পানি যদি কোনো ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারের পরিচালন বা উন্নয়ন বাজেটের আওতায় প্রাপ্ত সরকারি তহবিল ব্যবহার করে, তাহা হইলে, মূল্যায়ন প্রতিবেদন এবং চুক্তিসম্পাদনের অনুমোদন প্রদানের ক্ষেত্রে, উক্ত কোম্পানি, অর্থ বিভাগের আর্থিক ক্ষমতা অর্পণসংক্রান্ত বিধি-বিধান বা আদেশ অনুসরণ করিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, কোম্পানির নিজস্ব তহবিল দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত ক্রয়ের ক্ষেত্রে মূল্যায়ন প্রতিবেদন এবং চুক্তিসম্পাদনের অনুমোদন প্রদানে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, কোম্পানি আইনের অধীন নিজস্ব প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা অর্পণসংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুসরণ করিবে।
[বাকি অংশ দেখতে লগইন করুন]