বাংলাদেশে ই-জিপিতে সফলতা
ই-জিপিতে সফলতার ক্ষেত্রসমূহঃ
১। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি
২। সময় ও অর্থ সাশ্রয়
৩। দরপত্রে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি
৪। সেবা সহজীকরণ
বিভিন্ন রেফারেন্স:
বিশ্বব্যাংকঃ Wind of Change: Digital Procurement Transforms Bangladesh
IGC: Digital Bangladesh: Impact of electronic government procurement
প্রথম আলোঃ ই-জিপি করদাতাদের অর্থ বাঁচাবে
thereport24.com: পরীক্ষামূলক ই-টেন্ডারিংয়ে বিশ্বব্যাংকের সন্তোষ
CPTU: e GP brings him back to business
দৈনিক ইত্তেফাকঃ ই-টেন্ডারের সুফল মিলছে
দৈনিক যুগান্তরঃ স্বচ্ছতা প্রতিযোগিতা ও দক্ষতা বেড়েছে
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস

রেডিও Talk: ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ, কবে মিলবে সমাধান ?

রেডিও Talk: ই-জিপিতে ব্যক্তি পরামর্শকদের রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে বৈষম্য
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য