নির্বাচিত National Procurement Trainers এর তালিকা
পাবলিক প্রকিউরমেন্টের বিষয়ে ১৪ জন নতুন National Procurement Trainers আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের অধীন সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (CPTU) এর আওতায় দীর্ঘ ও কঠোর প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় এই National Procurement Trainers দের নির্বাচন করা হয়েছে।
CPTU কর্তৃক প্রকাশিত নব নির্বাচিত National Procurement Trainers দের তালিকা নিচে দেয়া হলোঃ

ইতিপূর্বে ১লা এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখে এই National Procurement Trainers নির্বাচনের জন্য আগ্রহিদের মধ্য থেকে দরখাস্থ আহবান করা হয়েছিল। প্রায় দের বছরের বেশি সময় ধরে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া চলেছে। বিশ্বব্যাংক এবং International Training Center of the ILO (ITC-ILO) এর সহযোগিতায় এবং CPTU তে পরিচালিত একটি কঠোর নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন প্রশিক্ষকদের নির্বাচন করা হয়েছে।
সর্বশেষ ২০১৬ সালে ২১ জন National Procurement Trainers তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। CPTU এর তথ্য মতে এই নতুন ১৪ জন সহ বর্তমানে মোট National Procurement Trainers এর সংখ্যা দাঁড়ালো ৭৩ জন।
CPTU কর্তৃক বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের অংশ হিসেবে সমস্ত ক্রয়কারী সংস্থা, ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশের দরপত্রদাতাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা হয়ে থাকে। এই নব নির্বাচিত প্রশিক্ষকগনের অন্তর্ভুক্তির ফলে বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতে আরো দক্ষতার সাথে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে মর্মে আশা করা যাচ্ছে।
National Procurement Trainers হিসেবে নব নির্বাচিত প্রশিক্ষকদের প্রকিউরমেন্টবিডি.কম এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

Balancing Discretion and Equal Treatment: Insights from the CJEU’s Landmark Ruling
In 2026, the Court of Justice of the European Union (CJEU) delivered a landmark ruling in Case C-590/24 AK Dlhopolec

Procurement-এ flexibility আছে, কিন্তু তা সীমাহীন নয়ঃ ইউরোপের সর্বোচ্চ আদালত
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনে ২০২৬ সালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রায়গুলোর একটি হলো Case C-590/24 AK Dlhopolec and Others। এই মামলাটি

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস