দরপত্রে ঠিকাদারদের অংশগ্রহণ কমেছে
দরপত্রে ঠিকাদারদের অংশগ্রহণ কমেছে। সরকারি কেনাকাটা নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সরকারি কেনাকাটায় যেসব দুর্বলতা দেখা যায়, সেগুলোও উঠে এসেছে।দরপত্রে ঠিকাদারদের অংশগ্রহণ কমেছে। সরকারি কেনাকাটা নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সরকারি কেনাকাটায় যেসব দুর্বলতা দেখা যায়, সেগুলোও উঠে এসেছে।
শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারি গন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। এক বছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে ক্লিক করুন।
সরকারি কেনাকাটার ৮০ শতাংশই উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে হয়। কিন্তু উন্মুক্ত দরপত্রে প্রতিযোগী ঠিকাদারদের অংশগ্রহণ কমেছে। অর্থাৎ টেন্ডারে প্রতিযোগিতা কমেছে। উন্মুক্ত দরপত্রে আগে গড়ে ৪ দশমিক ২টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নিত। এখন তা কমে দুইয়ে নেমে এসেছে। এ ছাড়া দরপত্রে শুধু একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫০ শতাংশ হয়েছে। সরকারের বেশিরভাগ কেনাকাটা এখন ই-জিপি সিস্টেমে হয়ে থাকে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটের (সিপিটিইউ) সাবেক মহাপরিচালক ফারুক হোসেন সম্প্রতি বলেছেন, ঠিকাদারদের সিন্ডিকেটের কারণে দরপত্রে অনেক ছোট ঠিকাদার অংশ নিতে পারেন না। দরপত্রে কারা অংশ নেবেন, তা ঠিকাদার সমিতির মাধ্যমে ঠিক করে দেওয়া হয়।
তথ্য সূত্র: প্রথম আলো।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

বাংলাদেশে ADP বাস্তবায়ন ৫ বছরের সর্বনিম্ন: Procurement Delay কি আসল কারণ ?
বাংলাদেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (Annual Development Programme–ADP) দেশের অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, পরিবহন এবং অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রধান আর্থিক

বাংলাদেশে Manual Tender যুগের সমাপ্তিঃ বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ১ জুলাই ২০২৬ একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। এদিন থেকে Manual (Offline) Tendering-এর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে এবং সরকারি

Indirect Procurement 2026 Report: Uncertainty as a Catalyst for Efficiency
The year 2026 is an extremely challenging and transformative year for procurement professionals. According to the 9th Annual Indirect Procurement

সরকারি Procurement System-এ আরও পরিবর্তন আসছে
বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে। ই-জিপি (e-GP) চালুর ফলে টেন্ডারিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা