Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

ই-জিপি বাস্তবায়নে ব্যাংক এ যে সকল অসুবিধা হয়

Facebook
Twitter
LinkedIn

ই-জিপি বাস্তবায়নে ব্যাংক একটি গূরুত্বপূর্ণ সহযোগি। ই-জিপির দরপত্রে ব্যাংক থেকে টেন্ডার ডকুমেন্ট, টেন্ডার সিকিউরিটি বা পার্ফমেন্স সিকিউরিটি ক্রয় করা যায়। এতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এবং ক্রয়কারি উভয়রেই সুবিধা হয়েছে। প্রতি জেলায় ব্যাংকের সংখ্যাও এখন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু তারপরও মাঝে মাঝে ক্রয়কারি বিশেষ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হতে ই-জিপির দরপত্রে নির্ধারিত ব্যাংক নিয়ে অনেক অভিযোগ পাওয়া যায়।

ই-জিপি বাস্তবায়নে ব্যাংক এ যে সকল অসুবিধা হয়ঃ

১. ই-জিপিতে কাজ করতে অনীহা, অন্য ব্যাংকে যেতে বলা হয়।
২. বিভিন্ন ব্যাংকে বিভিন্ন সার্ভিস চার্জ।
৩. প্রায়শঃই ব্যাংকে ই-জিপি তে বদলি জনিত কারনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পাওয়া যায় না।
৪. অন্য ব্যাংকের ব্যাংক ড্রাফট বা পে অর্ডার নিতে অনীহা।
৫. ইতোপূর্বে যারা দরপত্র দলিল ক্রয় করেছেন তাদের তথ্য অন্যরা ব্যাংকের মাধ্যমে জেনে যাচ্ছে বলে অভিযোগ আছে।
৬. ডেবিট কার্ড দিয়ে ব্রাক ব্যাংক ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমেই শুধু মাত্র দরপত্র দলিল ক্রয় করার সুবিধা আছে।
৭. উপজেলা পর্যায়ে ব্যাংকের ব্রাঞ্চের সংখ্যা অপ্রতুল।
৮. জামানত অথবা Performance Security ক্রয়কারী দপ্তর কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হলে তা অনেক সময় ব্যাংকে ফেলে রাখা হয়, পরবর্তীতে যোগাযোগ করে টাকা জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়।
৯. টাকা জমা নিয়েও ই-জিপিতে ফর্ম ফিলাপ করে নির্ধারিত সময়ে টেন্ডার ডকুমেন্ট, টেন্ডার সিকিউরিটি বা পার্ফমেন্স সিকিউরিটি ক্রয় করা হয় না। ফেলে রাখা হয়। ফলে নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলে ঠিকাদারর সমস্যায় পড়ে যায়।

উল্লেখিত সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক, ঠিকাদার সহ সর্বপরি সিপিটিইউ’র কার্যকরী ভূমিকা প্রয়োজন।


ঠিকাদার বা কম্পানি হিসেবে অনলাইনে দরপত্র জমা দেয়ার জন্য ই-জিপিতে রেজিষ্ট্রেশন থাকতে হয়। দ্রুততম সময়ে ই-জিপিতে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য ক্লিক করুন

শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারি গন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। একবছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে ক্লিক করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই লেখকের অন্যান্য লেখা

আলাপচারি

Procurement-এ flexibility আছে, কিন্তু তা সীমাহীন নয়ঃ ইউরোপের সর্বোচ্চ আদালত

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনে ২০২৬ সালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রায়গুলোর একটি হলো Case C-590/24 AK Dlhopolec and Others। এই মামলাটি

Read More »
FAQ

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?

চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

Read More »
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
গ্রাহক হোন

শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারিগন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। এক বছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে এখানে ক্লিক করুন

** সীমিত সময়ের জন্য Discount চলছে।

প্রকিউরমেন্ট বিডি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে অনুরোধ করছি।

আপনার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ আমাদের সেবা উন্নত করতে সহায়ক হবে।

ফ্রী রেজিস্ট্রেশন

“প্রকিউরমেন্ট বিডি news”, “সমসাময়িক”, “সূ-চর্চা”, “প্রশিক্ষণ” অথবা “ঠিকাদারী ফোরাম” ইত্যাদি বিষয়ে কমপক্ষে ২টি নিজস্ব Post প্রেরণ করে এক বছরের জন্য Free রেজিষ্ট্রেশন করুণ। Post পাঠানোর জন্য “যোগাযোগ” পাতা ব্যবহার করুণ।

সূচীঃ PPR-25

সর্বশেষ

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?

Scroll to Top