প্রকল্প অনুমোদনে পরিকল্পনা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর ক্ষমতা বৃদ্ধি
প্রকল্প অনুমোদনে পরিকল্পনামন্ত্রী ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর ক্ষমতা বাড়ল। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ইং তারিখে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা বিভাগ থেকে প্রকল্প অনুমোদনে ক্ষমতা বৃদ্ধির এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ইতিপূর্বে ২০২২ সালের জুনে প্রকাশিত সরকারি খাতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধনী নির্দেশিকা সংশোধন করে পরিকল্পনামন্ত্রীর ক্ষমতা সংশোধন করা হয়েছিল।
প্রজ্ঞাপনে প্রকল্পের সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদনের ক্ষেত্রে এখন থেকে পরিকল্পনা মন্ত্রী বা পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী নতুন করে যা যা অনুমোদন করতে পারবেন তা হলোঃ
-
- সংশোধনী প্রস্তাব সর্বশেষ অনুমোদিত খরচের ২৫% বা ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত হ্রাস-বৃদ্ধি হলে,
- সংশোধনী প্রস্তাব ২৫% বেশি হ্রাস-বৃদ্ধি হলেও প্রস্তাবিত ব্যয় যদি ৭৫ কোটি টাকার কম হয়,
- প্রকল্পের ১ম বা ২য় সংশোধনীর প্রস্তাবে প্রকল্প ব্যয় হ্রাস পেলে।
এসব ক্ষেত্রে প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদনে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য যেতে হবে না।

প্রজ্ঞাপনে সংশোধিত প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হয়েছে এবং এতে করে প্রশাসনিক কাজের সময় অনেকাংশে সাশ্রয় হবে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

Collusion in the Belgian Newspaper Distribution Sector
The Belgian competition authority has concluded its formal inquiry into systemic bid-rigging and horizontal agreements within the public procurement process

ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ, কবে মিলবে সমাধান ?
সরকারি ক্রয় কার্যক্রমের একমাত্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ই-জিপি (e-GP) পোর্টালে গত কয়েকদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবহারকারীরা। সাইটটির ধীরগতি এবং যান্ত্রিক

সরকারি ক্রয়ে রেকর্ড ব্যবস্থাপনাঃ আইনি কাঠামো ও ব্যবহারিক নির্দেশিকা
প্রকৌ: মো: মোকতার হোসেন MCIPS, PMP, CPCM উপ-পরিচালক (নির্বাহী প্রকৌশলী) নক্সা ও পরিদর্শণ-১ পরিদপ্তর, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, ঢাকা। মোবাইল: ০১৭২২০৪৪৩৩৫ ইমেইল: moktar031061@gmail.com

লাম্প সাম নাকি টাইম-বেসড কন্ট্রাক্ট – কোনটি কখন ব্যবহার করবেন ?
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বা সরকারি ক্রয়ে প্রধানত কাজের ধরন ও মূল্য পরিশোধের পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের চুক্তি করা হয়।