২০২৪ সালে শীর্ষস্থানীয় ১০টি Construction কোম্পানি
নগর ভূদৃশ্যের (landscapes) বিবর্তন এবং অবকাঠামোগত (Infrastructure) চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে বিশ্বের বৃহত্তম নির্মাণ সংস্থাগুলি বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের অগ্রভাগে রয়েছে।
এই নিবন্ধে ২০২৪ সালে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১0টি নির্মাণ সংস্থার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হলো যাদের প্রত্যেকটি তাদের বিশাল প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, উদ্ভাবনী দক্ষতা, আর্থিক সক্ষমতার কারনে আজকের এই অবস্থানে এসেছে।
নিচে এই কোম্পানিগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ প্রদান করা হলো:
ভিন্সি এসএ (Vinci SA) – ফ্রান্স: ভিন্সি এসএ একটি ফরাসি নির্মাণ কোম্পানি, যা অবকাঠামো, ভবন, জ্বালানি এবং সুবিধা ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে কাজ করে। তাদের প্রকল্পগুলোর মধ্যে লন্ডন গ্যাটউইক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ এবং মরক্কোর নূর সোলার কমপ্লেক্স অন্তর্ভুক্ত।
গ্রুপো এসিএস (Grupo ACS) – স্পেন: স্পেনের গ্রুপো এসিএস বিশ্বব্যাপী নির্মাণ এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রে অন্যতম বৃহৎ কোম্পানি। তারা লন্ডনের ক্রসরেল এবং সিয়াটলের আলাস্কান ওয়ে ভায়াডাক্টের মতো প্রকল্পে কাজ করেছে।
বুইগ কনস্ট্রাকশন (Bouygues Construction) – ফ্রান্স: বুইগ কনস্ট্রাকশন আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং সরকারি অবকাঠামো প্রকল্পে বিশেষজ্ঞ। তাদের প্রকল্পগুলোর মধ্যে ফ্রান্সের “গ্রিন অফিস” এবং গ্র্যান্ড প্যারিসের মেট্রো লাইন ১৫ অন্তর্ভুক্ত।
বেকটেল কর্পোরেশন (Bechtel Corporation) – যুক্তরাষ্ট্র: বেকটেল কর্পোরেশন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম পরিচিত নির্মাণ এবং প্রকৌশল কোম্পানি। তারা হুভার ড্যাম এবং বিভিন্ন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে কাজ করেছে।
স্কানস্কা (Skanska) – সুইডেন: স্কানস্কা টেকসই নির্মাণ পদ্ধতির জন্য পরিচিত। তাদের উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়াম এবং নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সংস্কার অন্তর্ভুক্ত।
চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন (CSCEC) – চীন: চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন চীনের বৃহত্তম নির্মাণ কোম্পানি, যা সাংহাই টাওয়ার এবং বেইজিং দাসিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো প্রকল্পে কাজ করেছে।
লেইং ও’রউর্ক (Laing O’Rourke) – যুক্তরাজ্য: লেইং ও’রউর্ক যুক্তরাজ্যের একটি নির্মাণ কোম্পানি, যা লন্ডনের ক্রসরেল প্রকল্প এবং ব্যাটারসি পাওয়ার স্টেশন পুনর্বিকাশের মতো প্রকল্পে কাজ করেছে।
লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো (Larsen & Toubro) – ভারত: লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো ভারতের বৃহত্তম নির্মাণ কোম্পানি, যা মুম্বাই ট্রান্স হারবার লিঙ্ক এবং কাকরাপার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো প্রকল্পে কাজ করেছে।
চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (CCCC) – চীন: CCCC নতুন হংকং বিমানবন্দর প্ল্যাটফর্ম প্রকল্পের জন্য পরিচিত এবং বিশ্বের বৃহত্তম ড্রেজিং কোম্পানি।
পাওয়ারচায়না (PowerChina) – চীন: পাওয়ারচায়না শক্তি এবং অবকাঠামো প্রকল্পে বিশেষজ্ঞ, যা দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে প্রকল্প পরিচালনা করে।
এই কোম্পানিগুলো তাদের উদ্ভাবনী নির্মাণ পদ্ধতি, টেকসই উন্নয়ন এবং বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী নির্মাণ শিল্পে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
গোপনে বা প্রকাশ্যে যেভাবেই হোক, এই কোম্পানিগুলোর মাঝে আছে প্রতিযোগিতা। যেখানে প্রতিযোগিতা, সেখানেই গেম থিউরির প্রয়োগ।
গেম থিউরি নিয়ে বিস্তারিত জানতে দেখুনঃ গেম থিওরিঃ প্রকিউরমেন্টের সাথে যার আছে নিবিড় সম্পর্ক
Source: CCE ONLINE NEWS, GLOBAL INDIAN NETWORK, Web and Companies Market Cap (2024)
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রক্রিয়া সহজীকরণে পরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগ
সরকারি বিনিয়োগের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকার “সরকারি খাতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধন

কনসালট্যান্টের প্রাথমিক চুক্তি ১৮ মাসের। একবার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন আবারও ১০০% সময় বৃদ্ধি লাগবে। করা যাবে কি না ? PPR-০৮ নাকি ২৫ অনুসরণ হবে ?
উন্নয়ন প্রকল্পে ৩ লাখ টাকা বেতনে পিপিআর ২০০৮ অনুযায়ী একজন কনসালট্যান্টের ১৮ মাসের জন্য ৫৪ লক্ষ টাকার প্রাথমিক চুক্তি ছিল।

মন্ত্রীদের প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষমতায় লাগামঃ নতুন বার্তা
বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এতদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা স্ব-শাসিত সংস্থা

আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০২৬ জারীঃ সরকারি ক্রয় ও ব্যয় প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন
দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো পরিবর্তন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০১৫’ বাতিল