টার্নওভার (Turnover) এর ক্ষেত্রে কি কি ভুল হয়
ওয়ার্ক টেন্ডার বা কার্য ক্রয় (Work Procurement) এর দরপত্রে ক্রয়কারি কর্তৃক অনেক ধরণের তথ্য চাওয়া হয়। ক্রয়কারীগণ এক্ষেত্রে বিপিপিএ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন আদর্শ দরপত্র দলিল ব্যবহার করে থাকেন। দরপত্র দাখিলের ক্ষেত্রে দরপত্র মূল্যায়নের জন্য বিভিন্ন নির্ণায়ক যেমনঃ অভিজ্ঞতার সনদ, লিকুইড এসেট (Liquid Asset) ছাড়াও টেন্ডার ক্যাপাসিটি (Tender Capacity), চলমান কাজের তালিকা (Existing Work Commitment), যন্ত্রপাতির তথ্য (Equipment Information), নিয়োজিত কর্মীদের তথ্য (Personnel Information), কনস্ট্রাকশন টার্নওভার (Average Annual Construction Turnover – AACT), ইত্যাদির বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়।
প্রায়শই দেখা যায় দরদাতাগণ এ সংক্রান্ত তথ্যাদি সঠিকভাবে প্রদান করেন না। ফলে, যথাযথভাবে দরপত্র মূল্যায়নে জটিলতার সৃষ্টি হয়। এগুলো সঠিক ভাবে দাখিল না করলে মূল্যায়নের সময় দরপত্র নন-রেসপনসিভ (Non-responsive) বা অগ্রহনযোগ্য হতে পারে।
বিস্তারিতঃ কনস্ট্রাকশন টার্নওভার (Construction Turnover) এর ফরম্যাট কেমন হওয়া উচিৎ
আজকে দেখবো, একটি দরপত্রে অংশগ্রহনের সময় দরপত্রদাতারা টার্নওভারে সাধারনত কি কি ভুল করে থাকে যার জন্য দরপত্র নন-রেসপনসিভ (Non-responsive) বা অগ্রহনযোগ্য হতে পারে।
বিস্তারিত জানতে লগইন করতে হবে।
আরও দেখুনঃ টেন্ডারে ঠিকাদার হিসেবে আপনার কি কি অধিকার আছে ?
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রক্রিয়া সহজীকরণে পরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগ
সরকারি বিনিয়োগের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকার “সরকারি খাতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধন

কনসালট্যান্টের প্রাথমিক চুক্তি ১৮ মাসের। একবার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন আবারও ১০০% সময় বৃদ্ধি লাগবে। করা যাবে কি না ? PPR-০৮ নাকি ২৫ অনুসরণ হবে ?
উন্নয়ন প্রকল্পে ৩ লাখ টাকা বেতনে পিপিআর ২০০৮ অনুযায়ী একজন কনসালট্যান্টের ১৮ মাসের জন্য ৫৪ লক্ষ টাকার প্রাথমিক চুক্তি ছিল।

মন্ত্রীদের প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষমতায় লাগামঃ নতুন বার্তা
বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এতদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা স্ব-শাসিত সংস্থা

আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০২৬ জারীঃ সরকারি ক্রয় ও ব্যয় প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন
দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো পরিবর্তন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০১৫’ বাতিল