ই-জিপিতে নিবন্ধিত নারী দরদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে
সরকারি ক্রয়ে নাগরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে ই-জিপিতে নিবন্ধিত নারী দরদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১৭ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সিস্টেমে নিবন্ধিত নারী মালিকানাধীন দরদাতা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৩৮৮টি। নবগঠিত বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (BPPA) থেকে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে।
বর্তমানে ই-জিপিতে নিবন্ধিত মোট দরদাতার সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার। নিবন্ধিত নারী মালীকানাধীন দরদাতা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এখন ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।
আরও দেখুনঃ সরকারি ক্রয়েও নারীর অংশগ্রহন গূরুত্বপূর্ণ
বিপিপিএ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ডিজিটাইজিং ইপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (DIMAPPP) প্রকল্পের আওতায় “সরকারি ক্রয়ে নাগরিক সম্পৃক্ততা” এর অংশ হিসেবে সে লক্ষ্যে কাজ চলছে।
সরকার সম্প্রতি টেকসই সরকারি ক্রয় নীতি জারি করেছে। যার আওতায় বিপিপিএ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য দেশে টেকসই সরকারি ক্রয় বাস্তবায়ন করবে। এ নীতির আওতায় সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয়গুলো বিবেচনায় নেয়া হবে। নারী উদ্যোক্তা ও নারী দরদাতাদের অগ্রাধিকার প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে মর্মে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি থেকে জানা গেছে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

Will Everyone Have Equal Opportunity in Tenders? Court Directives
Public procurement is traditionally considered an open competitive process where any qualified bidder can participate. However, in the current era

Open Tender হলেই কি সবাই সমান সুযোগ পাবে ? একটি আন্তর্জাতিক ঘটনা
Public procurement এ উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা সাধারণত সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে যেকোনো যোগ্য bidder অংশগ্রহণ করতে পারে। কিন্তু

একটি ভাইরাল পণ্যের উত্থান-পতন: Labubu সাপ্লাই-চেইন কেস স্টাডি
চীনের বিখ্যাত খেলনা কোম্পানি পপ মার্ট (Pop Mart)-এর Labubu নামের একটি খেলনাটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক ভোক্তা আচরণ, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং

e-GP টেন্ডারে TEC সদস্যদের Declaration কি হার্ডকপিতে আলাদা দিতে হবে ?
সরকারি টেন্ডারে সরকারি ক্রয় বিধিমালা মোতাবেক দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি (Tender Evaluation Committee – TEC) গঠন করতে হয়। এই কমিটি দরপত্র মূল্যায়ন