Open Tender হলেই কি সবাই সমান সুযোগ পাবে ? একটি আন্তর্জাতিক ঘটনা
Public procurement এ উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা সাধারণত সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে যেকোনো যোগ্য bidder অংশগ্রহণ করতে পারে। কিন্তু বর্তমান geopolitics এবং trade policy-র যুগে এই ধারণা পরিবর্তিত হচ্ছে।
এই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হলো Court of Justice of the European Union (CJEU) এর রায়—Case C-266/22 (Judgment: 13 March 2025)—যা third-country bidder-দের procurement access নিয়ে একটি মৌলিক প্রশ্নকে সামনে এনেছে।
এই রায় procurement community-তে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন হলো, European দেশভুক্ত দরপত্রের ক্ষেত্রে –
👉 EU-এর বাইরের কোম্পানি কি সব public tender-এ অংশ নিতে পারবে ?
👉 নাকি সংশ্লিষ্ট ক্রয়কারি (contracting authority) তাদের বাদ দিতে (exclude করতে) পারবে ?
মামলার প্রেক্ষাপট (Background of the Case)
এই মামলার উৎপত্তি একটি public procurement dispute থেকে, যেখানে একটি non-EU (third country) bidder একটি EU Member State-এর procurement procedure-এ অংশগ্রহণ করতে চেয়েছিল।
কিন্তু সংশ্লিষ্ট contracting authority প্রশ্ন তোলে –
👉 EU procurement law কি তাদের বাধ্য করে এই ধরনের bidder-দের accept করতে ?
এই প্রশ্নটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ EU procurement framework (Directive 2014/24/EU) মূলত EU internal market-এর জন্য তৈরি।
তবে globalisation-এর ফলে non-EU companies গুলো এখন অনেক বেশি হারে EU market-এ অংশ নিতে চাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিষয়টি জাতীয় আদালত থেকে CJEU-তে preliminary ruling-এর জন্য পাঠানো হয়।
আইনি প্রশ্ন (Legal Issues)
এই মামলার কেন্দ্রীয় আইনি প্রশ্ন ছিল:
👉 EU public procurement directives কি contracting authority-দের বাধ্য করে third-country bidders-দের admit করতে ?
আরও নির্দিষ্টভাবে:
- WTO Government Procurement Agreement (GPA) বা bilateral agreement না থাকলে কী হবে ?
- contracting authority-র discretion কতটুকু ?
CJEU-এর সামনে প্রশ্ন ছিল –
👉 procurement কি fully open system, নাকি এটি regulated access system ?
পক্ষগুলোর যুক্তি (Arguments)
এই মামলায় দুই ধরনের যুক্তি সামনে আসে – একটি liberal trade perspective, অন্যটি regulatory sovereignty perspective।
Bidder-এর পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয় যে procurement-এর মূল নীতি হলো open competition। তাই nationality-র ভিত্তিতে exclusion করা হলে তা discrimination হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তারা আরও দাবি করে যে EU internal market-এর principles broaderভাবে ব্যাখ্যা করা উচিত, যাতে global participation নিশ্চিত হয়।
অন্যদিকে contracting authority যুক্তি দেয় যে EU procurement rules primarily EU market-এর জন্য তৈরি এবং শুধুমাত্র সেই দেশগুলোর জন্য open, যাদের সাথে EU-এর procurement agreement রয়েছে।
তাদের মতে, contracting authority-দের discretion থাকা উচিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য –
👉 তারা third-country bidder গ্রহণ করবে কিনা
আদালতের সিদ্ধান্ত (Judgment)
১৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে Court of Justice of the European Union এই মামলায় রায় প্রদান করে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতি প্রতিষ্ঠা করেছে:
👉 EU procurement directives ক্রয়কারি (contracting authority)-দের third-country bidders-দের accept করতে বাধ্য করে না।
আদালত আরও স্পষ্ট করেছে —
👉 শুধুমাত্র সেই দেশগুলোর প্রতিষ্ঠান (economic operator)-দের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যাদের সাথে EU-এর আন্তর্জাতিক procurement agreement রয়েছে (যেমন GPA)।
অর্থাৎ:
- open access = conditional
- full global access = প্রযোজ্য নয়
এইভাবে আদালত contracting authority-দের একটি গুরুত্বপূর্ণ discretion প্রদান করে।
রায়ের বিশ্লেষণ (Critical Analysis)
এই রায় procurement law-এ একটি paradigm shift নির্দেশ করে।
প্রথমত, এটি procurement-কে একটি controlled market access system হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। আগে ধারণা ছিল procurement মানেই open competition। কিন্তু এখন আদালত বলছে—
👉 competition থাকবে, কিন্তু নিয়ন্ত্রিতভাবে
দ্বিতীয়ত, এই রায় geopolitical procurement-এর গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে procurement শুধু economic decision নয়, বরং trade policy এবং strategic autonomy-এর অংশ হয়ে উঠেছে।
তৃতীয়ত, এই রায় contracting authority-দের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। তারা এখন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে –
- কোন bidder eligible
- কোন bidder exclude করা হবে
আন্তর্জাতিক Procurement-এ এর প্রভাব
এই রায় global supply chain-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে:
✔ non-EU companies-দের জন্য EU market-এ প্রবেশ কঠিন হতে পারে
✔ bilateral agreement-এর গুরুত্ব বাড়বে
✔ procurement-এ protectionism বাড়তে পারে
এটি global procurement-কে আরও fragmented করে তুলতে পারে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ
বাংলাদেশ একটি import-dependent এবং export-oriented economy। এই রায় থেকে বাংলাদেশের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে:
✔ Reciprocal procurement policy প্রয়োজন: বাংলাদেশও future-এ reciprocal access policy বিবেচনা করতে পারে
✔ Local industry protection: critical sector-এ local supplier-দের অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে
✔ International agreement-এর গুরুত্ব: WTO GPA-তে যোগদানের বিষয়টি নতুনভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে
Procurement Professionals-দের জন্য শিক্ষা
এই case procurement professionals-দের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়:
👉 bidder eligibility শুধু technical নয়, strategic issue
👉 contract award-এর আগে market access policy বিবেচনা জরুরি
👉 global supplier selection-এ legal awareness দরকার
উপসংহার
Case C-266/22 procurement law-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ turning point। এই রায় দেখায় যে modern procurement আর শুধুমাত্র price এবং quality-এর বিষয় নয়—
👉 এটি এখন geopolitics, trade policy এবং strategic interest-এর অংশ
EU Court স্পষ্ট করে দিয়েছে:
👉 “Open market does not mean unrestricted access.”
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা—
procurement policy-কে এখন global reality-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।
References: CJEU Judgment, Case C-266/22 (13 March 2025)
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

SLT: টেন্ডারে কৃত্রিম প্রতিযোগিতা এবং নতুন চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় (Public Procurement) দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় উদ্বেগের বিষয় ছিল অস্বাভাবিক কম দর (Abnormally Low Bid – ALB)

NOA অটোমেটিক accepted দেখাচ্ছে। এখন করণীয় কি ?
একটি টেন্ডারে কর্তৃপক্ষ আমার প্রতিষ্ঠানের নামে NOA (Notification of Award) ইস্যু করেছে, ই-জিপিতে মেসেজ এসেছে। কিন্তু আমি এক্সেপ্ট করতে গিয়ে

NEOM & The Line: একটি কৌশলগত প্রকল্প এবং ক্রয় পরিকল্পনার মহাবিপর্যয়
বিস্তারিত দেখুনঃ NEOM & The Line: একটি কৌশলগত প্রকল্প এবং ক্রয় পরিকল্পনার মহাবিপর্যয়

Individual Consultancy চুক্তিতে ভ্যাট এবং আয়করের হার নিয়ে হতাশা
বিস্তারিত দেখুনঃ ব্যক্তি পরামর্শক (Individual Consultant) চুক্তিতে ভ্যাট এবং আয়করের হার নিয়ে হতাশা