Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

Open Tender হলেই কি সবাই সমান সুযোগ পাবে ? একটি আন্তর্জাতিক ঘটনা

Facebook
Twitter
LinkedIn

Public procurement এ উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা সাধারণত সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে যেকোনো যোগ্য bidder অংশগ্রহণ করতে পারে। কিন্তু বর্তমান geopolitics এবং trade policy-র যুগে এই ধারণা পরিবর্তিত হচ্ছে।

এই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হলো Court of Justice of the European Union (CJEU) এর রায়—Case C-266/22 (Judgment: 13 March 2025)—যা third-country bidder-দের procurement access নিয়ে একটি মৌলিক প্রশ্নকে সামনে এনেছে।

এই রায় procurement community-তে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন হলো, European দেশভুক্ত দরপত্রের ক্ষেত্রে –

👉 EU-এর বাইরের কোম্পানি কি সব public tender-এ অংশ নিতে পারবে ?
👉 নাকি সংশ্লিষ্ট ক্রয়কারি (contracting authority) তাদের বাদ দিতে (exclude করতে) পারবে ?


মামলার প্রেক্ষাপট (Background of the Case)

এই মামলার উৎপত্তি একটি public procurement dispute থেকে, যেখানে একটি non-EU (third country) bidder একটি EU Member State-এর procurement procedure-এ অংশগ্রহণ করতে চেয়েছিল।

কিন্তু সংশ্লিষ্ট contracting authority প্রশ্ন তোলে –

👉 EU procurement law কি তাদের বাধ্য করে এই ধরনের bidder-দের accept করতে ?

এই প্রশ্নটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ EU procurement framework (Directive 2014/24/EU) মূলত EU internal market-এর জন্য তৈরি।

তবে globalisation-এর ফলে non-EU companies গুলো এখন অনেক বেশি হারে EU market-এ অংশ নিতে চাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিষয়টি জাতীয় আদালত থেকে CJEU-তে preliminary ruling-এর জন্য পাঠানো হয়।


আইনি প্রশ্ন (Legal Issues)

এই মামলার কেন্দ্রীয় আইনি প্রশ্ন ছিল:

👉 EU public procurement directives কি contracting authority-দের বাধ্য করে third-country bidders-দের admit করতে ?

আরও নির্দিষ্টভাবে:

  • WTO Government Procurement Agreement (GPA) বা bilateral agreement না থাকলে কী হবে ?
  • contracting authority-র discretion কতটুকু ?

CJEU-এর সামনে প্রশ্ন ছিল –

👉 procurement কি fully open system, নাকি এটি regulated access system ?


পক্ষগুলোর যুক্তি (Arguments)

এই মামলায় দুই ধরনের যুক্তি সামনে আসে – একটি liberal trade perspective, অন্যটি regulatory sovereignty perspective।

Bidder-এর পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয় যে procurement-এর মূল নীতি হলো open competition। তাই nationality-র ভিত্তিতে exclusion করা হলে তা discrimination হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তারা আরও দাবি করে যে EU internal market-এর principles broaderভাবে ব্যাখ্যা করা উচিত, যাতে global participation নিশ্চিত হয়।

অন্যদিকে contracting authority যুক্তি দেয় যে EU procurement rules primarily EU market-এর জন্য তৈরি এবং শুধুমাত্র সেই দেশগুলোর জন্য open, যাদের সাথে EU-এর procurement agreement রয়েছে।

তাদের মতে, contracting authority-দের discretion থাকা উচিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য –

👉 তারা third-country bidder গ্রহণ করবে কিনা


আদালতের সিদ্ধান্ত (Judgment)

১৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে Court of Justice of the European Union এই মামলায় রায় প্রদান করে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতি প্রতিষ্ঠা করেছে:

👉 EU procurement directives ক্রয়কারি (contracting authority)-দের third-country bidders-দের accept করতে বাধ্য করে না।

আদালত আরও স্পষ্ট করেছে —

👉 শুধুমাত্র সেই দেশগুলোর প্রতিষ্ঠান (economic operator)-দের ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, যাদের সাথে EU-এর আন্তর্জাতিক procurement agreement রয়েছে (যেমন GPA)।

অর্থাৎ:

  • open access = conditional
  • full global access = প্রযোজ্য নয়

এইভাবে আদালত contracting authority-দের একটি গুরুত্বপূর্ণ discretion প্রদান করে।


রায়ের বিশ্লেষণ (Critical Analysis)

এই রায় procurement law-এ একটি paradigm shift নির্দেশ করে।

প্রথমত, এটি procurement-কে একটি controlled market access system হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। আগে ধারণা ছিল procurement মানেই open competition। কিন্তু এখন আদালত বলছে—

👉 competition থাকবে, কিন্তু নিয়ন্ত্রিতভাবে

দ্বিতীয়ত, এই রায় geopolitical procurement-এর গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে procurement শুধু economic decision নয়, বরং trade policy এবং strategic autonomy-এর অংশ হয়ে উঠেছে।

তৃতীয়ত, এই রায় contracting authority-দের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। তারা এখন সিদ্ধান্ত নিতে পারবে –

  • কোন bidder eligible
  • কোন bidder exclude করা হবে

আন্তর্জাতিক Procurement-এ এর প্রভাব

এই রায় global supply chain-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে:

✔ non-EU companies-দের জন্য EU market-এ প্রবেশ কঠিন হতে পারে
✔ bilateral agreement-এর গুরুত্ব বাড়বে
✔ procurement-এ protectionism বাড়তে পারে

এটি global procurement-কে আরও fragmented করে তুলতে পারে।


বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ

বাংলাদেশ একটি import-dependent এবং export-oriented economy। এই রায় থেকে বাংলাদেশের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে:

✔ Reciprocal procurement policy প্রয়োজন: বাংলাদেশও future-এ reciprocal access policy বিবেচনা করতে পারে

✔ Local industry protection: critical sector-এ local supplier-দের অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে

✔ International agreement-এর গুরুত্ব: WTO GPA-তে যোগদানের বিষয়টি নতুনভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে


Procurement Professionals-দের জন্য শিক্ষা

এই case procurement professionals-দের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়:

👉 bidder eligibility শুধু technical নয়, strategic issue
👉 contract award-এর আগে market access policy বিবেচনা জরুরি
👉 global supplier selection-এ legal awareness দরকার


উপসংহার

Case C-266/22 procurement law-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ turning point। এই রায় দেখায় যে modern procurement আর শুধুমাত্র price এবং quality-এর বিষয় নয়—

👉 এটি এখন geopolitics, trade policy এবং strategic interest-এর অংশ

EU Court স্পষ্ট করে দিয়েছে:

👉 “Open market does not mean unrestricted access.”

বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা—

procurement policy-কে এখন global reality-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।


References: CJEU Judgment, Case C-266/22 (13 March 2025)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই লেখকের অন্যান্য লেখা

FAQ

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?

চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

Read More »
Radio প্রকিউরমেন্টবিডি

রেডিও Talk: ই-জিপিতে ব্যক্তি পরামর্শকদের রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে বৈষম্য

  বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য

Read More »
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
গ্রাহক হোন

শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারিগন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। এক বছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে এখানে ক্লিক করুন

** সীমিত সময়ের জন্য Discount চলছে।

প্রকিউরমেন্ট বিডি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে অনুরোধ করছি।

আপনার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ আমাদের সেবা উন্নত করতে সহায়ক হবে।

ফ্রী রেজিস্ট্রেশন

“প্রকিউরমেন্ট বিডি news”, “সমসাময়িক”, “সূ-চর্চা”, “প্রশিক্ষণ” অথবা “ঠিকাদারী ফোরাম” ইত্যাদি বিষয়ে কমপক্ষে ২টি নিজস্ব Post প্রেরণ করে এক বছরের জন্য Free রেজিষ্ট্রেশন করুণ। Post পাঠানোর জন্য “যোগাযোগ” পাতা ব্যবহার করুণ।

সূচীঃ PPR-25

সর্বশেষ

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?

Scroll to Top