আন্তর্জাতিক ক্রয়ে কোটেশন পদ্ধতি প্রয়োগে কিছু সমস্যা
পিপিআর-২০০৮ এর বিধি ৮৫ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ক্রয়ে কোটেশন পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়। এক্ষেত্রে ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধানের পূর্ব অনুমোদন লাগবে আগে।
আইনের ধারা ৩৪(২) অনুসারে আন্তর্জাতিক বাজার হতে বিভাজ্য পণ্যসামগ্রী অধিক পরিমাণে (In bulk) ক্রয়ের ক্ষেত্রে, কোটেশন প্রদানের অনুরোধ জ্ঞাপন পদ্ধতির ব্যবহার করতে হবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানী, গার্মেন্টস, অন্তর্জাতিক বানিজ্য, স্বাস্থ্য, ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রায়শঃই আন্তর্জাতিক ক্রয়ে কোটেশন পদ্ধতি প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয়। কিন্তু, পিপিআর-২০০৮ অনুসরণে আন্তর্জাতিক ক্রয়ে কোটেশন ব্যবহারে কিছু সমস্যা রয়েছে যা স্বষ্ট করা প্রয়োজন। এর কিছু নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।
পুরো প্রতিবেদন পড়তে হলে সাবস্কৃপশন করতে হবে।
এই প্রতিবেদনটি পিপিআর-২০০৮ এবং ২০২৫ সালের আগের দরপত্র দলিলের আলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

ভেরিয়েশন প্রতিপাদন কমিটির প্রতিবেদনের ফরম্যাট
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সম্প্রতি “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” এবং “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫ (পিপিআর ২০২৫)” জারী হয়েছে। সংশোধিত আইন

ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট দিয়ে কি Service ক্রয় করা যাবে ?
সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে বারবার দরপত্র আহ্বানের প্রশাসনিক ও আর্থিক জটিলতা নিরসন এবং উন্নততর ক্রয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য ‘ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট (Framework Agreement)’

নতুন একনেক এবং CCGP কমিটি গঠন
নতুন সরকার আসার পর নতুন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক – ECNEC) এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি

Works চুক্তিতে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে পিপিআর ২০২৫ এ কি আছে ?
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গত ৪ঠা মে ২০২৫ ইং তারিখে “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” এবং ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে