অধ্যাদেশ রহিত, “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬” গেজেটভুক্ত
অদ্য ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬” এর গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এটি ২০২৬ সনের ৪১ নং আইন যা গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।
দেখুনঃ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে ২০২৫ সালের ৪ মে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়েছিল, যা ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়। এরপর গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে জাতীয় সংসদে অধ্যাদেশটি ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল-২০২৬’ আকারে পাশ হয়েছিল। বিলটির মাধ্যমে পূর্বে জারি করা ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’কে আইনে পরিণত করার জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাঠানো হয়। অতঃপর ১০ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করায় তা এখন গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
দেশের সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করতে “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬” প্রণয়ন করেছে সরকার।
এই আইন প্রণয়নের ফলে ইতিপূর্বের জারী করা “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” টি বাতিল বলে গণ্য হবে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

টেন্ডার ওপেন হবার আগেই কোনো বিষয় নিয়ে কি রিভিউ প্যানেলে অভিযোগ করা যাবে ?
এই অভিযোগ নিয়ে আর অভিযোগের শেষ নাই। কি একটা অবস্থা !!! দরপত্র (টেন্ডার) আহবানের পর ঠিকাদার হিসেবে আপনার বিভিন্ন কারণে

প্রকল্পের পিডি কি বাইরে থেকে নিয়োগ দেয়া যাবে ?
সম্প্রতি প্রকল্প পরিচালক (PD: Project Director) নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়ে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পিডি নিয়োগ করা

অত্যধিক নিম্নদরের দরপত্র কি চক্রান্তমূলক কর্ম ?
বিস্তারিত দেখুনঃ “অত্যধিক নিম্নদরের দরপত্র” বনাম “চক্রান্ত”: একটি বিশ্লেষণ

“অত্যধিক নিম্নদরের দরপত্র” বনাম “চক্রান্ত”: একটি বিশ্লেষণ
সম্প্রতি বিপিপিএ (BPPA: Bangladesh Public Procurement Authority) হতে অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র দাখিল হওয়ার নিয়ে একটি পরিপত্র জারী হয়েছে যেখানে এই