আন্তর্জাতিক ক্রয়ে কোটেশন পদ্ধতি প্রয়োগে কিছু সমস্যা
পিপিআর-২০০৮ এর বিধি ৮৫ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ক্রয়ে কোটেশন পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়। এক্ষেত্রে ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধানের পূর্ব অনুমোদন লাগবে আগে।
আইনের ধারা ৩৪(২) অনুসারে আন্তর্জাতিক বাজার হতে বিভাজ্য পণ্যসামগ্রী অধিক পরিমাণে (In bulk) ক্রয়ের ক্ষেত্রে, কোটেশন প্রদানের অনুরোধ জ্ঞাপন পদ্ধতির ব্যবহার করতে হবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানী, গার্মেন্টস, অন্তর্জাতিক বানিজ্য, স্বাস্থ্য, ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রায়শঃই আন্তর্জাতিক ক্রয়ে কোটেশন পদ্ধতি প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয়। কিন্তু, পিপিআর-২০০৮ অনুসরণে আন্তর্জাতিক ক্রয়ে কোটেশন ব্যবহারে কিছু সমস্যা রয়েছে যা স্বষ্ট করা প্রয়োজন। এর কিছু নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।
পুরো প্রতিবেদন পড়তে হলে সাবস্কৃপশন করতে হবে।
এই প্রতিবেদনটি পিপিআর-২০০৮ এবং ২০২৫ সালের আগের দরপত্র দলিলের আলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস

রেডিও Talk: ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ, কবে মিলবে সমাধান ?

রেডিও Talk: ই-জিপিতে ব্যক্তি পরামর্শকদের রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে বৈষম্য
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য