ক্রয় কার্যক্রমে ক্রিপ্টোকারেন্সি: তর্ক না বিতর্ক ?
ক্রিপ্টোকারেন্সি হল এক রকমের ডিজিটাল বা ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা। এর অস্তিত্ত্ব শুধু ইন্টারনেট জগতেই আছে। এটি ব্যবহার করে লেনদেন শুধু অনলাইনেই সম্ভব। সারা পৃথিবীতে প্রায় হাজারেরও উপরে ক্রিপ্টোকারেন্সি রয়েছে, যেমনঃ বিটকয়েন, ইথেরিয়াম, লাইটকয়েন, রিপল, মোনেরো, ড্যাশ, বাইটকয়েন, ডোজকয়েন, ইত্যাদি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া এ ধরনের মুদ্রার সংখ্যা এখন আট হাজারের বেশি। তবে এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় বিটকয়েন।। ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হয়ে থাকে।
ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে বর্তমানে অনেক কিছুই কেনা যায়। যেমন ওভারস্টক ডট কম থেকে যেকোনো পণ্য বিটকয়েনের মাধ্যমে কেনা যাবে। এমন আরও অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বর্তমানে বিটকয়েনকে মুদ্রা হিসেবে নিচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এখন যেমন অর্থের বদলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার হচ্ছে, ভবিষ্যতে তেমনি টাকা ও ক্রেডিট কার্ডের বদলে বিটকয়েন বা অন্য কোনো ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহৃত হবে।
এখন, ক্রয় কার্যক্রমে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহনের আগে নিচের বিষয়গুলো বুঝে আসি আগে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

লাম্প সাম নাকি টাইম-বেসড কন্ট্রাক্ট – কোনটি কখন ব্যবহার করবেন ?
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বা সরকারি ক্রয়ে প্রধানত কাজের ধরন ও মূল্য পরিশোধের পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের চুক্তি করা হয়।

লাম্প সাম কন্ট্রাক্ট (Lump Sum Based Contracts) কি ? কখন ব্যবহার করবেন ?
সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো প্রকল্পে দক্ষ পরামর্শক (Consultant) নিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো সঠিক চুক্তিপত্র নির্বাচন করা। বাংলাদেশ পাবলিক

টাইম-বেসড কন্ট্রাক্ট (Time-based Contracts) কি ? কখন ব্যবহার করবেন ?
সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো প্রকল্পে দক্ষ পরামর্শক (Consultant) নিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো সঠিক চুক্তিপত্র নির্বাচন করা। বাংলাদেশ পাবলিক

উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রক্রিয়া সহজীকরণে পরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগ
সরকারি বিনিয়োগের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকার “সরকারি খাতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধন