Moral hazard কি ?
মোরাল হ্যাজারড! এটা একটা খুবই আকর্ষণীয় বিষয়।
Moral Hazard বা নৈতিক ঝুঁকি হল অর্থনীতি ও ফাইন্যান্সের একটা ধারণা যেটা এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে এক পক্ষ অতিরিক্ত ঝুঁকি নেয়, কারণ তারা জানে যে সেই ঝুঁকির সম্ভাব্য নেতিবাচক ফলাফল অন্য পক্ষকে বহন করতে হবে।
অর্থাৎ, যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জানে যে তাদের ভুল বা অতিরিক্ত ঝুঁকির ফলে সৃষ্ট ক্ষতি অন্য কেউ বহন করবে, তখন তারা আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এটি সাধারণত তথ্যের অসমতা বা দায়বদ্ধতার অভাবের কারণে ঘটে।
একটা উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করি। ধরুন, আপনার একটা স্বাস্থ্য বীমা আছে যা আপনার সমস্ত চিকিৎসা খরচ বহন করে। এক্ষেত্রে, আপনার আরও ঝুঁকি নেবার সম্ভাবনা থাকবে, যেমন দুঃসাহসিক কার্যকলাপ বা ঝুকিপূর্ণ খেলাধুলায় অংশ নেয়া। সুবিধা হলো, আপনি জানেন যে যদি আপনি আহতও হোন, তাহলে আপনার বীমা সেই খরচ বহন করবে। এটা Moral Hazard এর একটি ক্লাসিক উদাহরণ, যেখানে বীমার উপস্থিতি আপনাকে আরও ঝুঁকি নেয়ার জন্য উৎসাহ দেয়।
Moral Hazard বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘটতে পারে, যেমন অর্থ, বীমা, স্বাস্থ্যসেবা, এবং বিজনেসে। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটা ব্যাংক জানে যে সরকার তাকে সংকটের সময় উদ্ধার করবে, তাহলে সে আরও ঝুঁকি নেবে। আবার, যদি একটা কোম্পানি লিমিটেড লাইবিলিটি স্ট্রাকচার থাকে, তাহলে তার মালিকরা আরও ঝুঁকি নেবে, কারণ তারা জানেন যে যদি ব্যবসাটি ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হারাতে হবে না।
বাংলাদেশেও সরকারি ক্রয়ে এই মোরাল হ্যাজারড বিভিন্ন প্রসঙ্গে প্রাসঙ্গিক। Moral hazard নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে প্রকিউরমেন্ট ও সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিয়ম, দেরি এবং নিম্নমানের পণ্য সরবরাহের ঝুঁকি বাড়তে পারে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
এ বিষয়ে আরও দেখুনঃ সরকারি ক্রয়ে Moral Hazard
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

Balancing Discretion and Equal Treatment: Insights from the CJEU’s Landmark Ruling
In 2026, the Court of Justice of the European Union (CJEU) delivered a landmark ruling in Case C-590/24 AK Dlhopolec

Procurement-এ flexibility আছে, কিন্তু তা সীমাহীন নয়ঃ ইউরোপের সর্বোচ্চ আদালত
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনে ২০২৬ সালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রায়গুলোর একটি হলো Case C-590/24 AK Dlhopolec and Others। এই মামলাটি

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস