ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা বিটকয়েন কেনায় নিষেধাজ্ঞা
এখন ব্যাংকের কার্ড দিয়েই কেনা যাচ্ছে ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা। আবার বিটকয়েন কেনা যাচ্ছে মুঠোফোনে আর্থিক সেবা (এমএফএস) ব্যবহার করে। ক্রিপ্টোকারেন্সি ও বিটকয়েন কেনা যাচ্ছে দেশে বসেই। কিন্তু এমন যেকোনো লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
দেশে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লেনদেনের অনুমতি নেই বলে অবগত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে এক নোটিশে সবাইকে সতর্ক করেছে।

ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট ১৯৪৭ অনুযায়ী ভার্চুয়াল কোনো মুদ্রার কোনো স্বীকৃতি নেই বলেও উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নোটিশে বলা হয়, যে কোনো ধরনের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন বা আইনগত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবহারের অনুমোদন দেয় না কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ভার্চুয়াল মুদ্রা বা ভার্চুয়াল সম্পদের বিপরীতে কোনো আর্থিক দাবির সুযোগ নেই এবং কোনো আইন এ ধরনের সম্পদের গ্যারান্টি দেয় না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে নোটিশে। এ অবস্থায় ভার্চুয়াল মুদ্রার মানকে দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং উচ্চ আর্থিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, অনিয়ন্ত্রিত ভার্চুয়াল মুদ্রার লেনদেন দ্রুত বাড়ছে এবং অন্য কিছু বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্গে বিনিময় হচ্ছে। ভার্চুয়াল মুদ্রাকে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা আইনের লঙ্ঘন।
আরও পড়ুনঃ ক্রয় কার্যক্রমে ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

SLT: টেন্ডারে কৃত্রিম প্রতিযোগিতা এবং নতুন চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় (Public Procurement) দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় উদ্বেগের বিষয় ছিল অস্বাভাবিক কম দর (Abnormally Low Bid – ALB)

NOA অটোমেটিক accepted দেখাচ্ছে। এখন করণীয় কি ?
একটি টেন্ডারে কর্তৃপক্ষ আমার প্রতিষ্ঠানের নামে NOA (Notification of Award) ইস্যু করেছে, ই-জিপিতে মেসেজ এসেছে। কিন্তু আমি এক্সেপ্ট করতে গিয়ে

NEOM & The Line: একটি কৌশলগত প্রকল্প এবং ক্রয় পরিকল্পনার মহাবিপর্যয়
বিস্তারিত দেখুনঃ NEOM & The Line: একটি কৌশলগত প্রকল্প এবং ক্রয় পরিকল্পনার মহাবিপর্যয়

Individual Consultancy চুক্তিতে ভ্যাট এবং আয়করের হার নিয়ে হতাশা
বিস্তারিত দেখুনঃ ব্যক্তি পরামর্শক (Individual Consultant) চুক্তিতে ভ্যাট এবং আয়করের হার নিয়ে হতাশা