কারা অধিদপ্তরের কেনাকাটায় যতো অনিয়ম
কারা অধিদপ্তরের বিভিন্ন কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম অব্যাহত রয়েছে। পদে পদে লঙ্ঘিত হচ্ছে সরকারি ক্রয় আইন ও বিধি। বিভিন্ন দরপত্র ক্রয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী ও মূল্যায়ন কমিটি কর্তৃক দরপত্র ক্রয় কার্যক্রমে PPA-06 এবং PPR-08 এর বিভিন্ন ধারা ও বিধি লঙ্ঘন, ভঙ্গ, অন্যায়, বেআইনি ও পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ড করা হয়েছে। এমনকি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট (CPTU) এর তদন্ত রিপোর্টের নির্দেশনা অমান্য করে পুনরায় বিশেষ সিন্ডিকেটকে কাজ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
সিপিটিইউর একটি ৯ পৃষ্ঠার বিশদ তদন্ত প্রতিবেদনে সরকারি ক্রয় বিধি লঙ্ঘনের বিস্তর তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। রিভিউ প্যানেল-০২ এর চেয়ারপারসন ও সরকারের সাবেক সচিব মো. এনামুল কবীর স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘একই রকমের পেশকৃত কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কেন প্রথমোক্ত ছয়জন দরদাতাকে টেকনিক্যালি অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে তার কোন কারণ প্যানেল বরাবর পেশ করতে ক্রয়কারী কর্তৃপক্ষ (কারা অধিদপ্তর) ব্যর্থ হয়েছে। দ্বিতীয়বারের দরপত্রে টেকনিক্যাল বিষয়গুলো তারা কেন ক্ষেত্র বিশেষে আমলে না নিয়ে ওভারলুক করেছেন তাও বোধগম্য নয়। দরপত্র মূল্যায়নে দরদাতাদের কোয়ালিফিকেশন ক্রাইটেরিয়ার আলোকে মূল্যায়ন যথাযথ হয়নি।’
অপর এক স্থানে বলা হয়েছে, ‘১ম বারের দরপত্রে যে সমস্ত ত্রুটি বিচ্যুতি ছিল তা দ্বিতীয় বারের দরপত্রেও বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও কেন তিনটি দরপত্রকে কারিগরিভাবে যোগ্য ঘোষণা করা হলো তার উপযুক্ত যুক্তি বা কারণ ক্রয়কারী কর্তৃপক্ষ প্যানেল বরাবর পেশ করতে পারেননি।’
তদন্ত প্রতিবেদনজুড়ে কারা অধিদপ্তরের দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির বিরুদ্ধে এ রকম বহু অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

১টি বিল্ডিং কাজের প্রাক্কলন (Estimate) হয়েছে ৯৯.৮৭ কোটি টাকা। এই এস্টিম্যাট কে অনুমোদন করবে ? পিডি, HOPE নাকি মন্ত্রণালয় ?
সরকারি টেন্ডারে বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালা মোতাবেক প্রাক্কলন কমিটি (Estimate Committee) গঠন করতে হয়। এর অন্যথা হলেই অনিয়ম। এ

Balancing Discretion and Equal Treatment: Insights from the CJEU’s Landmark Ruling
In 2026, the Court of Justice of the European Union (CJEU) delivered a landmark ruling in Case C-590/24 AK Dlhopolec

Procurement-এ flexibility আছে, কিন্তু তা সীমাহীন নয়ঃ ইউরোপের সর্বোচ্চ আদালত
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনে ২০২৬ সালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রায়গুলোর একটি হলো Case C-590/24 AK Dlhopolec and Others। এই মামলাটি

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন