ডলারের বদলে টাকায় বিল পরিশোধ
প্রথমবারের মতো বৈদেশিক ঋণ-অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের বিল টাকায় পরিশোধ করেছে সরকার। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরো ভালোভাবে সংরক্ষণের লক্ষ্যে টাকায় বিদেশি বিল পরিশোধ পদ্ধতির সূচনা করল বাংলাদেশ।
নির্মাণাধীন ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে ৮৫% ঋণ দিচ্ছে চীন এবং বাকি ১৫% খরচ বহন করছে বাংলাদেশ সরকার। এই ১৫% অংশ টাকায় পরিশোধ করতে চীনকে সম্মত করাতে পেরেছে বাংলাদেশ।
এতোদিন চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক মার্কিন ডলারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চীনা ঠিকাদার ও ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে এই অর্থ পরিশোধ করে আসছে।
সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টাকায় বিলটি গ্রহণ করতে রাজি হয়েছে যেহেতু তাদের বাংলাদেশেও কিছু ব্যয় আছে। তারা বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে তারা প্রস্তাবে রাজি হয়েছে মর্মে জানা গেছে। এখন, এ অর্থ তারা বাংলাদেশেই ব্যয় করতে পারবে।
বৈদেশিক ঋণ অর্থায়নে পরিচালিত কোন প্রকল্পে এটি প্রথম স্থানীয় মুদ্রায় বিল পরিশোধ।
বৈদেশিক ঋণের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলোতে এ ব্যবস্থা চালু করা গেলে তা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে তা সহায়তা করবে। এটি রিজার্ভের উপর চাপ কমাতে সহায়তা করবে। এই উদ্যোগ অর্থ সঞ্চালনে সহায়তা করবে এবং স্থানীয় সরবরাহকারীরা পুরোপুরি উপকৃত হবে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংক্রান্ত পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

e-GP তে আদর্শ দরপত্র দলিল কতগুলো ? কখন কোনটি ব্যবহৃত হবে ?
বিপিপিএ কর্তৃক ই-জিপিতে অতি সম্প্রতি অনেকগুলো আদর্শ দরপত্র দলিল (STD) সংযোজন করা হয়েছে। আদর্শ দরপত্র দলিল (Standard Tender document –

International Sourcing on European Procurement: A Strategic Analysis
In its recent study, using survey data from 2021-2023, Eurostat explores a comprehensive analysis of how international sourcing is reshaping

সরকারি ক্রয়ে বিভিন্ন যানবাহনের মূল্য পূননির্ধারণ
সরকারি ক্রয়ে গাড়ি বা যানবাহন কেনার ক্ষেত্রে যানবাহনের একক মূল্য পূননির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সার্কুলার জারী

ট্যারিফঃ ২০২৫ সালে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সাপ্লাই চেইনের নতুন গতিপথ
২০২৫ সালে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এবং উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্যারিফ বা শুল্ক। গত ছয় বছর