প্রকল্প পরিচালকদের ৪র্থ কিস্তি ব্যয় করতে অনুমতি লাগবে না
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রকল্প পরিচালকদের জন্য টাকা খরচ করতে কোনো অনুমতি লাগবে না। অর্থ বিভাগ গত মঙ্গলবার হিসাব মহানিয়ন্ত্রককে (সিজিএ) চিঠি দিয়ে এ কথা জানিয়েছে।
বরাদ্দের চতুর্থ কিস্তি
এ বরাদ্দের টাকা প্রকল্পের পুরো অর্থবছরের শেষ কিস্তি বা চতুর্থ কিস্তির বরাদ্দ হিসেবে পরিচিত। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রকল্প পরিচালকেরা নিজেরাই প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দের টাকা খরচ করতে পারবেন এবং তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছাড় হয়েছে বলে গণ্য হবে। তবে সংশোধিত অননুমোদিত প্রকল্পসহ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকল্পের অর্থছাড়ের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের ২০১৮ সালের নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে।
পূর্বের অনুমোদন প্রক্রিয়া
আগে অর্থ বিভাগ ও প্রকল্প–সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক বিভাগের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। কাজের গতি বাড়ানোর জন্য প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তির অর্থছাড়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল প্রকল্প পরিচালকদের। তবে তৃতীয় কিস্তির অর্থ ছাড় করতে প্রশাসনিক বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হতো।
প্রকল্প পরিচালকেরা অভিযোগ করেছেন যে, প্রকল্পের কাজে গতি আসছে না এবং টাকা ছাড়ের ক্ষেত্রে তাঁদের নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এসব কারণে ২০২০ সালে অর্থ বিভাগ প্রথম প্রজ্ঞাপন জারি করে সংস্থাগুলোকে অর্থছাড়ে এখতিয়ার দেয়।
শুল্ক, ভ্যাট ও ভূমি অধিগ্রহণ
তবে প্রকল্পের শুল্ক, ভ্যাট ও ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ ব্যয়ে যে অর্থের প্রয়োজন হবে, তা প্রকল্প পরিচালকেরা ছাড় করতে পারবেন না। প্রকল্প সাহায্যের বর্তমান নিয়ম বহাল থাকবে। অর্থাৎ, ঋণ ও অনুদানের ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার শর্ত ও সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিমালার শর্ত মানতে হবে।
নিচে পত্রটি দেয়া হলোঃ

প্রকল্প পরিচালকদের জন্য টাকা খরচের অনুমতি না লাগার এই সিদ্ধান্তটি কাজের গতি বাড়াতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে শুল্ক ও ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়ম বজায় থাকবে, যা প্রকল্প পরিচালকদের জন্য কিছু সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি করবে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

IT Hardware ক্রয় নিয়ে “Force Majeure” বিতর্ক
বিশ্বব্যাপী IT hardware procurement বর্তমানে একটি অস্বাভাবিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। সাম্প্রতিক সময়ে ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, সার্ভার এবং স্টোরেজ ডিভাইসের মতো প্রযুক্তি পণ্যের

ইউনিয়ন পরিষদে এখনও চালু হয়নি ই-জিপি
স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে কীভাবে ? বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ (Union

১ম সংসদ অধিবেশনঃ সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ
আজ শুরু হচ্ছে নতুন সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশন। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তী সরকারের

বিপিপিএ’র সিদ্ধান্তঃ Individual Consultant দের ই-জিপিতে রেজিস্ট্রেশন ফি লাগবে না
বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম Electronic Government Procurement (e-GP)-এ ব্যক্তি পরামর্শকদের (Individual Consultant) জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি বাতিল করা হয়েছে।