২৫ সেপ্টেম্বর জারীকৃত “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” প্রজ্ঞাপনে কি আছে ?
গত ৪ঠা মে ২০২৫ ইং তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” জারী করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০০৬ সনের ২৪ নং আইন, অর্থাৎ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ (PPA 2006)-এ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে আসা হয়েছে।
অধ্যাদেশের ১(২) নং পয়েন্টে উল্লেখ ছিল যে “সরকার, সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারন করিবে সেই তারিখে ইহা কার্যকর হইবে“। সে অনুযায়ি এই অধ্যাদেশ কার্যকর হবার বিষয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় হতে প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়েছে। এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ি ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ থেকে “পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপনটি নিচে দেয়া হলো।
এখন, জনমনে যে প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে তা হলোঃ
- সরকারি কেনাকাটায় ১০% মার্জিন বাতিল কবে থেকে ?
- যে সব দরপত্র LIVE আছে ঐগুলোর ক্ষেত্রে কি ১০% প্রযোজ্য হবে ?
- কবে নাগাদ e-GP তে এই সংশোধনীগুলো কার্যকর হবে ?
- পিপিআর-০৮ এর সংশোধনীর প্রজ্ঞাপন কবে হবে ?
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

সংশোধিত বাজেটের কতিপয় ব্যয় কাটছাঁটে পরিপত্র জারি। যে বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়নি !!!
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধের ফলে উদ্ভূত বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের ব্যয় সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে সংশোধিত বাজেটের ব্যয়ে বড় ধরনের

e-GP টেন্ডারে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমার ক্ষেত্রে কখন কোন Mode of Payment প্রযোজ্য ?
সাধারণত, ই-জিপি দরপত্রের ক্ষেত্রে দরপত্র দলিল বা টেন্ডার ডকুমেন্ট (Tender Document) বা সিডিউল ব্যাংক থেকে বিপিপিএ কর্তৃক নির্ধারিত হারে ক্রয়

Will Everyone Have Equal Opportunity in Tenders? Court Directives
Public procurement is traditionally considered an open competitive process where any qualified bidder can participate. However, in the current era

Open Tender হলেই কি সবাই সমান সুযোগ পাবে ? একটি আন্তর্জাতিক ঘটনা
Public procurement এ উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা সাধারণত সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে যেকোনো যোগ্য bidder অংশগ্রহণ করতে পারে। কিন্তু