নতুন একনেক এবং CCGP কমিটি গঠন
নতুন সরকার আসার পর নতুন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক – ECNEC) এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি – CCGP) গঠন করা হয়েছে।
নতুন ECNEC এবং CCGP কমিটি এবং কার্যপরিধি দেখতে ক্লিক করুন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক-ECNEC)
-
-
- সভাপতিঃ তারেক রহমান।
- বিকল্প সভাপতিঃ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী।
- মোট সদস্যঃ ৯ জন।
- কার্য-পরিধির সার-সংক্ষেপঃ সকল বিনিয়োগ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) বিবেচনা ও অনুমোদন, সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে মোট বিনিয়োগ ব্যয় সংবলিত প্রকল্পগুলোর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভার সুপারিশ বিবেচনা ও অনুমোদন, উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা, বেসরকারি উদ্যোগ, যৌথ উদ্যোগ অথবা অংশগ্রহণমূলক বিনিয়োগ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব বিবেচনা, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিবীক্ষণ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারণী বিষয়সমূহ পর্যালোচনা এবং বৈদেশিক সহায়তার বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা বিবেচনা ও অনুমোদন এবং এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অগ্রগতি পর্যালোচনা।
-
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (CCGP)
-
-
- আহবায়কঃ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী।
- মোট সদস্যঃ ৭ জন।
- কার্য-পরিধির সার-সংক্ষেপঃ
-
পূর্ত কাজ:
১০০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের (উন্নয়ন প্রকল্প ও অনুন্নয়ন বাজেটের ক্ষেত্রে)
পণ্য/যন্ত্রপাতি/সরঞ্জামাদি ও সংশ্লিষ্ট সেবা:
উন্নয়ন প্রকল্পঃ ১০০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের
অনুন্নয়ন বাজেটঃ ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের
পরামর্শক সার্ভিস (কনসালটেন্সি সার্ভিসেস) সংক্রান্ত:
উন্নয়ন প্রকল্পঃ ৩০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের
অনুন্নয়ন বাজেটঃ ২০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের
ভৌত সেবা:
উন্নয়ন প্রকল্পঃ ২৫ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের (কর্পোরেশন/স্বায়ত্তশাসিত, ইত্যাদির ক্ষেত্রে ১৫ কোটির ঊর্ধ্বের)
অনুন্নয়ন বাজেটঃ ১০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের
উল্লেখ্যু, প্রতিবারই সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো কমিটি বাতিল করে নতুন একনেক এবং সিসিজিপি কমিটি গঠিত হয়।
একনেক সভায় উন্নয়ন প্রকল্প পাস হয়। তবে একনেক সভায় যে মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প ওঠে, সেই মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে উপস্থিত থাকতে হয়। আবার, সিসিজিপি তে সরকারি কেনাকাটা (Procurement) যাচাই, অনুমোদন, ইত্যাদি কার্যক্রম করা হয়।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত ২টি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস

রেডিও Talk: ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ, কবে মিলবে সমাধান ?

রেডিও Talk: ই-জিপিতে ব্যক্তি পরামর্শকদের রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে বৈষম্য
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য