e-GP তে ১ দিনের রেকর্ড
অনলাইনে সরকারি কেনাকাটা ও দরপত্রের জন্য চালু ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই জিপি) ব্যবস্থায় একদিনে ২ হাজার ২৩০টি দরপত্র ও ক্রয় প্রস্তাব খোলা হয়েছে, যা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
গত ৩রা মার্চ ২০২৩ ইং তারিখে এ রেকর্ড হওয়ার তথ্য জানিয়েছে সিপিটিইউ। এর আগে এক দিনে ১ হাজার ৫০৮টি দরপত্র খোলা হয়েছিল।
সরকারের ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার মাধ্যমে অনিয়ম ও দখলদারিত্ব কমাতে সরকার ২০১১ সালে সিপিটিইউ এর মাধ্যমে ক্রয় কার্যক্রমে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেয়।
পরের বছর থেকে ই জিপির মাধ্যমে ক্রয় প্রক্রিয়ার দরপ্রস্তাব আহ্বান ও দরপত্র জমা দেওয়ার ব্যব্স্থা চালু করা হয়। ইতোমধ্যে সব মন্ত্রণালয়ের ক্রয় কার্যক্রমের দরপত্র স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হচ্ছে।
সিপিটিইউ জানিয়েছে, বুধবার পর্যন্ত মোট এক লাখ ৫ হাজার ৫৬৯টি দরপত্র এবং ১১ হাজার ১৭৪টি ক্রয়কারী সরকারি কার্যালয় ই জিপি ব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছে।
এ পদ্ধতিতে এখন পর্যন্ত ৭ লাখ ৭ হাজার ১০৪ কোটি টাকা মূল্যের মোট ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭০৩টি দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় ‘ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (ডিআইএমএপিপি)’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ই জিপির মাধ্যমে বছরে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। দরপত্র সংশ্লিষ্টদের গড়ে প্রায় ৪৯৭ কিলোমিটার ভ্রমণ করতে হচ্ছে না। একই সঙ্গে দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সময় ১০০ থেকে কমে ৫৭ দিনে নেমেছে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

e-GP তে আদর্শ দরপত্র দলিল কতগুলো ? কখন কোনটি ব্যবহৃত হবে ?
বিপিপিএ কর্তৃক ই-জিপিতে অতি সম্প্রতি অনেকগুলো আদর্শ দরপত্র দলিল (STD) সংযোজন করা হয়েছে। আদর্শ দরপত্র দলিল (Standard Tender document –

International Sourcing on European Procurement: A Strategic Analysis
In its recent study, using survey data from 2021-2023, Eurostat explores a comprehensive analysis of how international sourcing is reshaping

সরকারি ক্রয়ে বিভিন্ন যানবাহনের মূল্য পূননির্ধারণ
সরকারি ক্রয়ে গাড়ি বা যানবাহন কেনার ক্ষেত্রে যানবাহনের একক মূল্য পূননির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সার্কুলার জারী

ট্যারিফঃ ২০২৫ সালে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সাপ্লাই চেইনের নতুন গতিপথ
২০২৫ সালে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এবং উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্যারিফ বা শুল্ক। গত ছয় বছর