সংশোধিত ই-জিপি গাইড লাইন ২০২৫ এর গেজেট প্রকাশিত হয়েছে
গত ১২ মার্চ ২০২৫ ইং তারিখে ই-জিপি গাইড লাইন (সংশোধিত) ২০২৫ [Bangladesh e-Government Procurement (e-GP) Guidelines (Revised), 2025] গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক প্রকিউরমেন্ট কার্যক্রম (e-GP) পরিচালনার লক্ষ্যে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এর ৬৫(২) ধারার ক্ষমতাবলে সরকার এই সংশোধিত ই-জিপি গাইড লাইন ২০২৫ প্রণয়ন করেছে।
দেখুনঃ সংশোধিত ই-জিপি গাইড লাইন ২০২৫
উল্লেখ্য ২০১৭ সাল থেকেই বিদ্যমান “e-GP Guideline” সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এজন্য বিভিন্ন গূরুত্বপূর্ণ সরকারি সংস্থার সাথে ওয়ার্কশপ করে মতামত নেয়া হয়েছিল। অতঃপর ২০১৯ সালে “e-GP Guideline” টি খসড়া আকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি তে দারুণ কিছু পরিবর্তন আসছে … খসড়া প্রস্তাবে যা রয়েছে
তবে অনেক দেরীতে হলেও এই সংশোধিত ই-জিপি গাইড লাইন প্রকাশিত হওয়ায় ব্যবহারকারি অনেকেই খুশি বলে জানা গিয়েছে। এই সংশোধন বাস্তবায়ন হলে ঠিকাদার, ক্রয়কারি, মূল্যায়ন কমিটি, ইত্যাদি সব ব্যবহারকারিই উপকৃত হবে বলে আশা করা যায়।
এই সংশোধনীতে কিছু ভাল ভাল বিষয় সংযুক্ত হয়েছে। এ বিষয়ে প্রকিউরমেটবিডি.কম এ অচিরেই একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে।
ই-জিপি বাংলাদেশে চালু হয়েছে প্রায় ১৪ বছর হতে চলল। এখন আর তা একেবারে নতুন বলার সুযোগ নেই। এখন এই সিস্টেমকে user friendly করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা কতটুকু গূরুত্ব দিয়ে এই সংশোধিত ই-জিপি গাইড লাইন ২০২৫ বাস্তবায়ন করে এখন এটাই দেখার বিষয়।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

e-GP তে আদর্শ দরপত্র দলিল কতগুলো ? কখন কোনটি ব্যবহৃত হবে ?
বিপিপিএ কর্তৃক ই-জিপিতে অতি সম্প্রতি অনেকগুলো আদর্শ দরপত্র দলিল (STD) সংযোজন করা হয়েছে। আদর্শ দরপত্র দলিল (Standard Tender document –

International Sourcing on European Procurement: A Strategic Analysis
In its recent study, using survey data from 2021-2023, Eurostat explores a comprehensive analysis of how international sourcing is reshaping

সরকারি ক্রয়ে বিভিন্ন যানবাহনের মূল্য পূননির্ধারণ
সরকারি ক্রয়ে গাড়ি বা যানবাহন কেনার ক্ষেত্রে যানবাহনের একক মূল্য পূননির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সার্কুলার জারী

ট্যারিফঃ ২০২৫ সালে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সাপ্লাই চেইনের নতুন গতিপথ
২০২৫ সালে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এবং উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্যারিফ বা শুল্ক। গত ছয় বছর