সরকারি টেন্ডারে বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালা মোতাবেক প্রাক্কলন কমিটি (Estimate Committee) গঠন করতে হয়। এর অন্যথা হলেই অনিয়ম। এ ধরনের অনিয়ম দরপত্র প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
এই প্রাক্কলন কমিটির নামটা পিপিআর-০৮ এ ছিল, পিপিআর-২০২৫ এ এর নাম বিনির্দেশ ও প্রাক্কলন কমিটি (Specification and Estimate Committee)।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে দেখুনঃ বিনির্দেশ ও প্রাক্কলন কমিটি কি ?
আজকের কেস স্টাডি টা এরকমঃ এই কমিটি ১টি বিল্ডিং কাজের প্রাক্কলন (Estimate) প্রস্তুত করেছে যা ৯৯.৮৭ কোটি টাকা। এখন, এই এস্টিম্যাট কে অনুমোদন করবে ? সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পিডি, ডিপার্টমেন্টের ক্রয় কার্যালয় প্রধান (Head of Procuring Entity: HOPE) নাকি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ? যে কমিটি এই এস্টিম্যাট প্রস্তুত করেছে সেই কমিটির গঠনের অনুমোদন কি ঠিক আছে ?
এই দরপত্রের প্রাক্কলন যেহেতু ৯৯.৮৭ কোটি টাকা, সেহেতু এর মূল্যায়ন প্রতিবেদন অনুমোদন করবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। DoFP অনুযায়ি এটা পরিষ্কার। কিন্তু এখানে প্রশ্ন হলো ২টি অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ যদি মন্ত্রণালয় হয়, তখন –
- বিনির্দেশ ও প্রাক্কলন কমিটি অনুমোদন করবে কে ?
- এই এস্টিম্যাট কে অনুমোদন করবে ?
বিষয়টি এতো সহজ নয়। দেখা যাক, এ বিষয়ে পিপিআর-২০২৫ কি বলে।