Procurement-এ flexibility আছে, কিন্তু তা সীমাহীন নয়ঃ ইউরোপের সর্বোচ্চ আদালত
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনে ২০২৬ সালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রায়গুলোর একটি হলো Case C-590/24 AK Dlhopolec and Others। এই মামলাটি সরাসরি procurement contract বা concession contract, bidder equality এবং tender transparency-এর মৌলিক প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসে। বিশেষ করে, contracting authority কতটুকু স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে এবং সেই স্বাধীনতার সীমা কোথায় শেষ হয় – এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে ইউরোপের সর্বোচ্চ আদালত।
এই বিরোধের সূত্রপাত হয় স্লোভাকিয়ার একটি দীর্ঘমেয়াদি (Long Term) ইজারা বা কনসেশন চুক্তি প্রদানকে কেন্দ্র করে।
Concession Tender বলতে এমন একটি সরকারি দরপত্রকে বোঝায়, যেখানে সরকার কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে শুধু কাজ করার দায়িত্বই দেয় না, বরং সেই কাজ বা সেবা পরিচালনা করে আয় করার অধিকারও দেয়। অর্থাৎ, ঠিকাদারের পারিশ্রমিক সরাসরি সরকারের কাছ থেকে আসে না; বরং সে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে তার বিনিয়োগ ফেরত আনে।
সহজ ভাষায়, এটি সাধারণ procurement contract থেকে আলাদা। সাধারণ চুক্তিতে সরকার ঠিকাদারকে নির্দিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে। কিন্তু concession contract-এ ঠিকাদার নিজের ঝুঁকিতে বিনিয়োগ করে এবং পরে জনগণের কাছ থেকে ফি নিয়ে আয় করে।
Case C-590/24 AK Dlhopolec and Others সাধারণ দৃষ্টিতে একটি concession contract awarding dispute হলেও এটি আসলে public procurement-এ অংশগ্রহণের যোগ্যতা (eligibility) এবং exclusion নিয়ে। তবে EU Directive 2014/23 (Concession Contracts Directive) এবং Directive 2014/24 (Public Procurement Directive) – দুইটিই এখানে প্রাসঙ্গিক ছিল।
সহজভাবে বললে, আদালতকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল – যদি কোনো কোম্পানি Slovakia-এর Public Sector Partners Register-এ নিবন্ধনের সময় নিরপেক্ষ প্রতিনিধি ব্যবহার না করে, এবং এজন্য জরিমানা হয়, তাহলে সেই জরিমানা না দিলে তাকে ভবিষ্যতে সরকারি procurement বা concession tender-এ অংশ নিতে নিষিদ্ধ করা যাবে কি না। কাজেই, এই মামলায় কোনো নির্দিষ্ট concession contract নিয়ে বিরোধ ছিল না; বরং concession tender-এ অংশ নেওয়ার অধিকার হারানোর ঝুঁকি নিয়েই বিরোধ ছিল।
এটি মূলত private bidders বনাম public authority-এর একটি ক্লাসিক procurement dispute, যেখানে বাজার প্রতিযোগিতা ও প্রশাসনিক স্বাধীনতার ভারসাম্যই ছিল মূল ইস্যু।
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর procurement practitioners-দের জন্য এই রায় অত্যন্ত শিক্ষণীয়। কারণ, concession procurement, PPP arrangement এবং long-term infrastructure contracts-এ একই ধরনের প্রশ্ন প্রতিনিয়ত দেখা যায়।
এ বিষয়ে প্রকিউরমেন্টবিডি ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত একটি রেডিও টক শো দেখুনঃ
মামলার পটভূমি
স্লোভাকিয়ার একটি concession award procedure-কে কেন্দ্র করে এই বিরোধের সূত্রপাত। যদিও মামলাটি tender evaluation criteria অস্পষ্ট হওয়া নিয়ে ছিল না; বরং এটি ছিল Slovakia-এর Register of Public Sector Partners (RPVS)-এ নিবন্ধন, authorised person’s impartiality, এবং জরিমানা পরিশোধ না করলে procurement থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ পড়ার বৈধতা নিয়ে।
স্থানীয় contracting authority একটি দীর্ঘমেয়াদি concession contract প্রদান করতে দরপত্র আহ্বান করে। স্লোভাকিয়ার আইন অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি সরকারি কাজ বা ইজারায় অংশ নিতে চায়, তবে তাকে একটি নির্দিষ্ট রেজিস্টারে (RPVS) নিবন্ধিত হতে হয়। সেই নিবন্ধন সম্পন্ন করেন একজন “authorised person” – সাধারণত আইনজীবী, নোটারি বা অন্য কোনো পেশাদার প্রতিনিধি।
আইন অনুযায়ি, এই authorised person অবশ্যই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ (impartial) ও স্বাধীন হতে হবে। কিন্তু “impartiality” বলতে ঠিক কী বোঝাবে, কোন সম্পর্ক conflict সৃষ্টি করবে, এবং কোন পর্যায়ে স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে – এসব বিষয়ে আইন যথেষ্ট নির্দিষ্ট ছিল না। এখানেই বিতর্কের সূচনা।
AK Dlhopolec ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাদের authorised person-এর সঙ্গে এমন সম্পর্ক ছিল যা Slovak কর্তৃপক্ষ impartiality-এর পরিপন্থী বলে মনে করে। ফলস্বরূপ, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হয়। সমস্যা আরও জটিল হয় যখন আইন বলল – যদি সেই জরিমানা পরিশোধ না করা হয়, তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভবিষ্যৎ public procurement procedures থেকে excluded হবে। অর্থাৎ, একটি regulatory breach সরাসরি procurement eligibility-কে প্রভাবিত করছে।
এখানে অস্পষ্টতার মূল জায়গা ছিল তিনটিঃ
প্রথমত, “impartiality” পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড স্পষ্ট ছিল না।
দ্বিতীয়ত, কোন ধরনের সম্পর্ক বা আর্থিক সংযোগকে লঙ্ঘন ধরা হবে, তা পূর্বানুমান করা কঠিন ছিল।
তৃতীয়ত, জরিমানা না দিলে procurement exclusion হবে – এই ফলাফলটি কতটা কঠোরভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে প্রয়োগ হবে, সেটিও বিতর্কিত ছিল। ব্যবসায়ীরা যুক্তি দেন, আইন যদি আগাম স্পষ্ট না হয়, তবে compliance কার্যত ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়।
ধরুন, সরকার বলল – যে ব্যক্তি একটি কোম্পানিকে সরকারি সরবরাহকারী হিসেবে নিবন্ধন করবে, তিনি অবশ্যই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হতে হবে। অর্থাৎ, তিনি কোম্পানির খুব ঘনিষ্ঠ, ব্যবসায়িক অংশীদার, বা আর্থিকভাবে যুক্ত হতে পারবেন না। এটি শুনতে খুবই যৌক্তিক। কিন্তু প্রশ্ন হলো—”ঘনিষ্ঠ” বলতে ঠিক কতটা? বন্ধুত্ব? পুরোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক? একই কোম্পানির অংশীদার? এখানেই সমস্যার শুরু।
AK Dlhopolec মামলায় দেখা যায়, যে ব্যক্তি MABONEX-কে Slovak Public Sector Partners Register-এ নিবন্ধন করেছিলেন, তার প্রতিষ্ঠানের একজন ব্যবস্থাপক এবং MABONEX-এর একজন ব্যবস্থাপক আরেকটি তৃতীয় কোম্পানিতে একসঙ্গে অংশীদার ও পরিচালক ছিলেন। অর্থাৎ, তারা সম্পূর্ণ অপরিচিত ছিলেন না; বরং তাদের মধ্যে একটি ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। আদালতের ভাষায়, এই সম্পর্ক একজন নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকের মনে প্রশ্ন তুলতে পারে – তিনি সত্যিই নিরপেক্ষ ছিলেন কি না।
Transparency নীতির সঙ্গে এর সম্পর্ক এখানেই। Procurement আইন চায় যে, economic operators যেন আগেই জানতে পারে কোন নিয়ম প্রযোজ্য, কোন আচরণে ঝুঁকি তৈরি হবে, এবং non-compliance-এর পরিণতি কী। যদি কোনো eligibility rule বা exclusion mechanism অস্পষ্ট থাকে, তাহলে বাজার অংশগ্রহণকারীরা সমানভাবে informed decision নিতে পারে না। স্বচ্ছতার অভাব তখন শুধু প্রশাসনিক সমস্যা নয়; এটি বাজারের আস্থাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
Equal treatment-এর বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। যদি এক কোম্পানির ক্ষেত্রে এমন সম্পর্ক মেনে নেওয়া হয়, আর অন্য কোম্পানির ক্ষেত্রে তা অগ্রহণযোগ্য বলা হয়, তাহলে সমান সুযোগ নষ্ট হয়। Procurement-এ সবাইকে একই মাঠে খেলতে দিতে হয়; কারও জন্য আলাদা গোলপোস্ট বসানো চলে না।
Competition-ও এতে সরাসরি প্রভাবিত হয়। কোনো কোম্পানি যদি আশঙ্কা করে যে একটি অনির্দিষ্ট compliance rule-এর কারণে তারা হঠাৎ exclusion-এর মুখে পড়তে পারে, তবে তারা tender-এ অংশ নেওয়ার আগ্রহ হারাতে পারে। এতে bidder participation কমে, প্রতিযোগিতা দুর্বল হয়, এবং শেষ পর্যন্ত contracting authority কম value পায়। Public procurement-এর বাজারে অনিশ্চয়তা হলো প্রতিযোগিতার শত্রু।
মামলাটিতে একদিকে ছিলেন AK Dlhopolec এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক অপারেটর, যারা procurement process-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। অন্যদিকে ছিলেন সংশ্লিষ্ট Slovak contracting authority, যারা concession award-এর আইনগত বৈধতা সমর্থন করে।
স্লোভাকিয়ার জাতীয় আদালত এই বিষয়টি ইউরোপীয় আদালতের কাছে preliminary ruling-এর জন্য প্রেরণ করে।
আইনি প্রশ্ন
মামলার কেন্দ্রীয় প্রশ্ন ছিল: Directive 2014/23/EU অনুযায়ী concession award process-এ contracting authority কি tender documents-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করা মূল্যায়ন পদ্ধতি বা ব্যাখ্যা পরবর্তীতে ব্যবহার করতে পারে?
আরও নির্দিষ্টভাবে, প্রশ্ন ছিল –
- Transparency principle-এর পরিধি কতদূর?
- Equal treatment নিশ্চিত করতে contracting authority-এর কী বাধ্যবাধকতা রয়েছে?
- Award criteria-এর ব্যাখ্যা কি পরে পরিবর্তন করা যায়?
এই প্রশ্নগুলো procurement-এর হৃদয়স্থলে আঘাত করে।
আবেদনকারীদের যুক্তি
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী AK Dlhopolec প্রতিষ্ঠান অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে যুক্তি দেয় যে procurement rules শুধুমাত্র লিখিত আইন নয়; এটি বিশ্বাসেরও বিষয়। কোনো bidder tender জমা দেওয়ার সময় যে শর্ত দেখে সিদ্ধান্ত নেয়, পরে সেই শর্তের অর্থ বদলে দেওয়া হলে প্রতিযোগিতা নষ্ট হয়।
তাদের মতে, contracting authority evaluation stage-এ এমন একটি analytical framework ব্যবহার করেছে যা tender documents-এ ছিল না। ফলে bidders সমান তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিযোগিতা করেনি। অর্থাৎ, tender documentation-এ কিছু শর্ত অস্পষ্ট ছিল এবং contracting authority মূল্যায়ন পর্যায়ে এমন কিছু ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করেছে যা শুরুতে পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তাদের মতে, এতে transparency, equal treatment এবং competition – এই তিনটি মূল নীতি ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
সহজভাবে বললে, এই মামলাটি ছিল “নিয়ম জানা ছিল, কিন্তু কতটা কাছাকাছি গেলে ফাউল হবে – সেটা নিয়ে।”
কর্তৃপক্ষের অবস্থান
প্রতিপক্ষ contracting authority যুক্তি দেয় যে তারা নতুন কোনো award criterion তৈরি করেনি; বরং বিদ্যমান শর্তের যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিয়েছে।
তাদের বক্তব্য ছিল, complex concession contracts-এ কিছু interpretative discretion অপরিহার্য। অন্যথায় বাস্তব procurement কার্যক্রম অচল হয়ে পড়বে।
এখানে আদালতকে সূক্ষ্ম একটি সীমারেখা নির্ধারণ করতে হয়েছিল – ব্যাখ্যা কোথায় শেষ হয় এবং পরিবর্তন কোথায় শুরু হয়।
আদালতের রায়
Court of Justice of the European Union আদালত স্পষ্ট করে দেয় যে concession procurement-এ transparency কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি প্রতিযোগিতার ভিত্তি।
আদালত রায় দেয়, contracting authority এমন কোনো মূল্যায়ন পদ্ধতি, উপাদান বা ব্যাখ্যা ব্যবহার করতে পারবে না যা tender submission-এর সময় reasonably informed and normally diligent tenderers অনুমান করতে পারত না।
CJEU শেষ পর্যন্ত জোর দেয় legal certainty, predictability এবং proportionality-এর ওপর। আদালত মনে করিয়ে দেয়, procurement-related sanctions—even indirect ones – এতটাই স্পষ্ট হতে হবে যাতে একজন normally diligent economic operator আগাম বুঝতে পারে তার আচরণের আইনি পরিণতি কী হতে পারে। বিশেষ করে যখন ফলাফল হিসেবে public procurement থেকে exclusion-এর মতো গুরুতর পরিণতি জড়িত থাকে।
অর্থাৎ, evaluation framework পরে “উদ্ভাবন” করা যাবে না।
আদালত আরও উল্লেখ করে, concession procedures-এ flexibility থাকলেও তা কখনোই equal treatment principle-কে অতিক্রম করতে পারে না। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আইন সবকিছু তালিকা করে দিতে পারে না; কিছুটা সাধারণ বুদ্ধিও ব্যবহার করতে হয়।
রায়ের তাৎপর্য
এই সিদ্ধান্ত concession procurement-এ contracting authorities-এর জন্য একটি শক্তিশালী সতর্কবার্তা।
Tender documents-এ যা নেই, evaluation-এ তা থাকা বিপজ্জনক। Bid evaluation কোনো “open-book improvisation” নয়।
বিশেষত infrastructure, toll roads, ports, energy concessions এবং PPP projects-এ এই রায়ের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হবে।
বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। Supplier registration, beneficial ownership disclosure, blacklisting, কিংবা debarment-এর ক্ষেত্রে নিয়ম যত বেশি স্পষ্ট হবে, তত কম হবে litigation, controversy এবং market hesitation। অস্পষ্টতা কখনোই compliance তৈরি করে না; বরং dispute তৈরি করে। Procurement-এ clarity শুধু ভালো practice নয়, এটি বাজারে আস্থা তৈরির ভিত্তি।
বাংলাদেশে PPP, independent power projects, port concession এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল সংক্রান্ত procurement-এ প্রায়ই evaluation criteria নিয়ে বিতর্ক দেখা যায়।
অনেক ক্ষেত্রে RFP-তে কিছু বিষয় সাধারণভাবে লেখা থাকে, কিন্তু evaluation committee পরে বিস্তারিত scoring logic প্রয়োগ করে। এখানেই ঝুঁকি।
বাংলাদেশের জন্যও এটি একটি বড় শিক্ষা। Vendor enlistment, beneficial ownership disclosure, বা blacklisting-এর ক্ষেত্রে নিয়ম যত পরিষ্কার হবে, তত কম হবে বিতর্ক। Procurement-এ একটি পুরোনো সত্য আছে – অস্পষ্ট নিয়ম আইনজীবীদের খুশি করে, কিন্তু ব্যবসায়ীদের নয়।
EU Court-এর এই রায় বাংলাদেশি procuring entities-এর জন্য তিনটি বড় শিক্ষা দেয়:
প্রথমত, evaluation methodology যতটা সম্ভব আগেই disclose করা উচিত।
দ্বিতীয়ত, post-bid interpretation কখনোই bid conditions পরিবর্তনের পর্যায়ে পৌঁছানো যাবে না।
তৃতীয়ত, concession procurement-এ documentation quality সরাসরি litigation risk কমায়।
সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ
রায়টি competition policy-এর পক্ষে শক্তিশালী হলেও contracting authorities-এর operational flexibility কিছুটা সীমিত করবে।
জটিল concession contracts-এ সব সম্ভাব্য পরিস্থিতি আগে থেকে নথিভুক্ত করা বাস্তবে কঠিন। তবুও আদালত মনে করিয়ে দিয়েছে—administrative convenience কখনোই legal certainty-এর বিকল্প হতে পারে না।
এটি বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনে।
Investors জানতে চায়, খেলার নিয়ম ম্যাচ শুরুর আগে নির্ধারিত হয়েছে কি না। ম্যাচ চলাকালীন আম্পায়ার যদি নতুন নিয়ম বানান, তাহলে ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।
Procurement Professionals-দের জন্য মূল বার্তা
Concession procurement-এ drafting stage-ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- Award criteria স্পষ্ট করুন।
- Evaluation methodology নথিভুক্ত করুন।
- Ambiguity কমান।
- Clarification process সুশৃঙ্খল রাখুন।
- Litigation এড়ানোর সবচেয়ে সস্তা উপায় হলো ভালো drafting।
উপসংহার
Case C-590/24 ইউরোপীয় procurement jurisprudence-এ একটি মাইলফলক। এই রায়ের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় নমনীয়তা (flexibility) থাকলেও তা কখনোই সমতা ও স্বচ্ছতার নীতিকে লঙ্ঘন করতে পারবে না।
Transparency, predictability এবং equal treatment – এই তিন স্তম্ভ ছাড়া কোনো procurement ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।
বাংলাদেশ যখন PPP ও concession-based infrastructure procurement সম্প্রসারণ করছে, তখন এই রায় বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।
খেলার নিয়ম খেলা শুরু হওয়ার আগেই লিখতে হয়, খেলা চলাকালীন নয়। অর্থাৎ, দরপত্রের শর্তাবলি শুরু থেকেই অত্যন্ত স্পষ্ট ও স্বচ্ছ হওয়া জরুরি যাতে কোনো ধরনের অস্পষ্টতা বা আইনি জটিলতা তৈরি না হয়।
Reference: Case C-590/24 AK Dlhopolec and Others
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

Balancing Discretion and Equal Treatment: Insights from the CJEU’s Landmark Ruling
In 2026, the Court of Justice of the European Union (CJEU) delivered a landmark ruling in Case C-590/24 AK Dlhopolec

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস

রেডিও Talk: ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ, কবে মিলবে সমাধান ?