কি কি কারনে একটি প্রতিষ্ঠানকে ডিবার করা যায় ?
সরকারি ক্রয়ে একটি দীর্ঘ এবং জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একজন গ্রহণযোগ্য ঠিকাদার বা সরবরাহকারী নির্বাচন করা হয়। অতঃপর যথাযত প্রক্রিয়ায় চুক্তি সম্পাদনের পর চুক্তি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ক্রয় কার্য সমাপ্ত করা হয়। অর্থাৎ, ১টি ক্রয় সমাপ্ত করার জন্য ২টি পর্যায় সম্পন্ন করতে হয়ঃ দরপত্র প্রক্রিয়াকরণ (Tendering) এবং চুক্তি ব্যবস্থাপনা (Contract Management)।
বাংলাদেশের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন সহ পৃথিবীর অন্যান্য ক্রয় আইনে এই প্রক্রিয়াকরণে অসদাচরণ বা চুক্তি খেলাপি হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ডিবার করার বিধান আছে।
অন্যান্য দেশের সরকারি ক্রয়ে ডিবারের ক্ষেত্রে কি ধরণের ব্যবস্থা আছে দেখতে ক্লিক করুন।
বিস্তারিত জানতে লগইন করুনঃ
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

IT Hardware ক্রয় নিয়ে “Force Majeure” বিতর্ক
বিশ্বব্যাপী IT hardware procurement বর্তমানে একটি অস্বাভাবিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। সাম্প্রতিক সময়ে ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, সার্ভার এবং স্টোরেজ ডিভাইসের মতো প্রযুক্তি পণ্যের

ইউনিয়ন পরিষদে এখনও চালু হয়নি ই-জিপি
স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে কীভাবে ? বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ (Union

১ম সংসদ অধিবেশনঃ সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ
আজ শুরু হচ্ছে নতুন সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশন। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তী সরকারের

বিপিপিএ’র সিদ্ধান্তঃ Individual Consultant দের ই-জিপিতে রেজিস্ট্রেশন ফি লাগবে না
বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম Electronic Government Procurement (e-GP)-এ ব্যক্তি পরামর্শকদের (Individual Consultant) জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি বাতিল করা হয়েছে।