কি কি কারনে একটি প্রতিষ্ঠানকে ডিবার করা যায় ?
সরকারি ক্রয়ে একটি দীর্ঘ এবং জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একজন গ্রহণযোগ্য ঠিকাদার বা সরবরাহকারী নির্বাচন করা হয়। অতঃপর যথাযত প্রক্রিয়ায় চুক্তি সম্পাদনের পর চুক্তি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ক্রয় কার্য সমাপ্ত করা হয়। অর্থাৎ, ১টি ক্রয় সমাপ্ত করার জন্য ২টি পর্যায় সম্পন্ন করতে হয়ঃ দরপত্র প্রক্রিয়াকরণ (Tendering) এবং চুক্তি ব্যবস্থাপনা (Contract Management)।
বাংলাদেশের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন সহ পৃথিবীর অন্যান্য ক্রয় আইনে এই প্রক্রিয়াকরণে অসদাচরণ বা চুক্তি খেলাপি হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ডিবার করার বিধান আছে।
অন্যান্য দেশের সরকারি ক্রয়ে ডিবারের ক্ষেত্রে কি ধরণের ব্যবস্থা আছে দেখতে ক্লিক করুন।
বিস্তারিত জানতে লগইন করুনঃ
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

পাবলিক প্রকিউরমেন্টে পেশাদারিত্বের নতুন দিগন্ত: BIM-এর ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম (DPPM)
বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় বা পাবলিক প্রকিউরমেন্ট ব্যবস্থা এখন একটি অত্যন্ত প্রযুক্তিগত এবং আইনি কাঠামোর মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি বছর

সিএজি কার্যালয়ে বিশেষ সেবা সপ্তাহঃ ক্রয়কারি, পিডি অফিস ও ঠিকাদারদের জন্য অনন্য সুযোগ
বাংলাদেশের কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল (সিএজিঃ CAG) কার্যালয়ের ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ ১১ মে থেকে ১৯ মে, ২০২৬ পর্যন্ত ০৭

দরপত্র দলিল e-PG5A(National) এবং e-PG8(National) এর বৈশিষ্ঠ্য কি, কখন ব্যবহৃত হবে ?
ক্রয়কারিকে আদর্শ দরপত্র দলিল ব্যবহার (Standard Tender document – STD) করে দরপত্র আহবান করতে হয় এবং ঠিকাদার বা সরবরাহকারিদের সে

e-GP তে আরও ২টি নতুন আদর্শ দরপত্র দলিল (STD) যুক্ত হয়েছে
বিপিপিএ (Bangladesh Public Procurement Authority – BPPA) কর্তৃক পিপিআর ২০২৫ অনুসারে গত ৭ মে ২০২৬ ইং তারিখে আরও ২টি আদর্শ দরপত্র দলিল