কি কি কারনে একটি প্রতিষ্ঠানকে ডিবার করা যায় ?
সরকারি ক্রয়ে একটি দীর্ঘ এবং জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একজন গ্রহণযোগ্য ঠিকাদার বা সরবরাহকারী নির্বাচন করা হয়। অতঃপর যথাযত প্রক্রিয়ায় চুক্তি সম্পাদনের পর চুক্তি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ক্রয় কার্য সমাপ্ত করা হয়। অর্থাৎ, ১টি ক্রয় সমাপ্ত করার জন্য ২টি পর্যায় সম্পন্ন করতে হয়ঃ দরপত্র প্রক্রিয়াকরণ (Tendering) এবং চুক্তি ব্যবস্থাপনা (Contract Management)।
বাংলাদেশের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন সহ পৃথিবীর অন্যান্য ক্রয় আইনে এই প্রক্রিয়াকরণে অসদাচরণ বা চুক্তি খেলাপি হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ডিবার করার বিধান আছে।
অন্যান্য দেশের সরকারি ক্রয়ে ডিবারের ক্ষেত্রে কি ধরণের ব্যবস্থা আছে দেখতে ক্লিক করুন।
বিস্তারিত জানতে লগইন করুনঃ
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস

রেডিও Talk: ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ, কবে মিলবে সমাধান ?

রেডিও Talk: ই-জিপিতে ব্যক্তি পরামর্শকদের রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে বৈষম্য
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য