সরকারি হিসাব কমিটি (Public Accounts Committee) কেন গূরুত্বপূর্ণ ?
একটি শক্তিশালী কমিটি পদ্ধতি একটি কার্যকর সংসদের জন্য অপরিহার্য। সংসদীয় বা রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার নির্বিশেষে, বিভিন্ন মাত্রার সাফল্যের সাথে সংসদে কমিটিগুলোর অন্তর্ভুক্তি সব দেশেই দেখা যায়। কার্যকর সংসদীয় কমিটি আইন প্রণয়ন, সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং নির্বাহী বিভাগের সাধারণ তত্ত্বাবধান বাড়াতে পারে। কমিটিগুলো আইনসভাকে অসংখ্য কাজ সম্পাদনের সুযোগ দেয় যা অন্যথায় সংসদে নাও হতে পারত। তাই, কমিটিগুলো সংসদের বর্ধিত কর্মক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে। এই কারণে, কমিটিগুলোকে ‘ক্ষুদ্র সংসদ (Mini Parliament)’ বা ‘সংসদের ক্ষুদ্র সংস্করণ (Microcosm of the House)’ বলা হয়।
কমিটিগুলো কী করতে পারে, তা মূলত তাদের প্রদত্ত ক্ষমতার প্রকৃতির উপর নির্ভর করে, যা প্রতিটি ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধরনের উপর ভিত্তি করে সংসদ থেকে সংসদে ভিন্ন হয়।
বাংলাদেশ সংসদের কমিটি বাংলাদেশ সংসদের কমিটি পদ্ধতি সংবিধান এবং কার্যপ্রণালী বিধি থেকে ক্ষমতা লাভ করে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে সংসদের নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিগুলোর বিধান রয়েছে:
ক. সরকারি হিসাব কমিটি (Public Accounts Committee)
খ. বিশেষ অধিকার কমিটি (Committee on Privileges)
গ. সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে অন্যান্য স্থায়ী কমিটি (Such other standing committees as the Rules of Procedure of the Parliament require)
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫(১) (ক) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, সংসদ ২২শে জুলাই, ১৯৭৪ তারিখে একটি কার্যপ্রণালী বিধি তৈরি করে। কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী, কিছু স্থায়ী কমিটি হাউস কর্তৃক নিযুক্ত বা নির্বাচিত হয় এবং অন্যগুলো স্পিকার কর্তৃক সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে সদস্যদের মধ্য থেকে মনোনীত হন। কমিটি কার্যপ্রণালী বিধির বিধান অনুযায়ী কাজ করে এবং হাউস বা স্পিকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন পেশ করে। প্রতিটি স্থায়ী কমিটির কার্যকাল পাঁচ বছর। তবে সংসদ যেকোনো সময় কোনো কমিটি পুনর্গঠন করতে পারে।
আরও দেখুনঃ প্রকিউরমেন্ট অডিট কি, কেন, কে করবে ?
সরকারি দপ্তরগুলোর কাছে এই সরকারি হিসাব কমিটির কার্যক্রম অনেক গূরুত্বপূর্ন। কেন ?
বিস্তারিত জানতে লগইন করুন।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস

রেডিও Talk: ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ, কবে মিলবে সমাধান ?

রেডিও Talk: ই-জিপিতে ব্যক্তি পরামর্শকদের রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে বৈষম্য
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য