Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

প্রকল্পের কাজ হবে কি হবে না, জানে না ঠিকাদাররা

Facebook
Twitter
LinkedIn

ছাত্র-জনতার গণ আন্দোলনে সরকার পতনের আগে ও পরের সহিংসতার কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া অনেক প্রকল্পের কাজ এখনও শুরু হয়নি। এতে হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ থমকে আছে। এছাড়া বন্ধ আছে যন্ত্রপাতি কেনা, চলমান কাজের বিল, আর্থিক ও প্রশাসনিক কাজের অনুমোদনসহ উন্নয়ন কাজ সম্পর্কিত অনেক কিছুই।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দলটির প্রভাবশালী ঠিকাদারদের যেমন দেখা মিলছে না, তেমনি সরকারের সমর্থনপুষ্ট ঠিকাদাররাও কাজে নেই। বড় প্রকল্পের পাশাপাশি ছোট প্রকল্পের কাজগুলোও স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের ঠিকাদার ও সাব- ঠিকাদারদের কর্মীদের আর কাজে দেখা যাচ্ছে না।

ঠিকাদাররা শঙ্কা হলো, যেসব কাজ চলমান রয়েছে সেসবের কোনটা যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে গুরুত্ব পাবে, আর কোনটা কম গুরুত্ব পাবে তা নিয়ে।

আরও খবরঃ অপরিহার্য নয়, এমন অঙ্গ উন্নয়ন প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের

দেশের প্রায় সবখানেই ঠিকাদাররা পরিস্থিতি বুঝতে সময় নিচ্ছেন। এলাকায় এলে ঝামেলায় পড়বেন কি না কিংবা চলমান কাজের বাকিটুকু করলে ঠিকঠাক টাকা পয়সা পাবেন কি না তা নিয়ে সংশয়ে থাকার কথা বলছেন ঠিকাদাররা।

আরও খবরঃ ক্ষতি মেনেই বাদ দেয়া হবে চলমান যে কোনো প্রকল্প: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

আন্দোলনের সময় প্রকল্পগুলোয় টুকটাক ইনসিডেন্স হয়েছে বলে অনেক ঠিকাদার প্রকল্পে দপ্তরে জানাচ্ছেন। তাদের মালামালের কেমন ক্ষতি হয়েছে সেটা নির্ধারণ করতেছেন। এই ক্ষতিপূরণ কিভাবে হবে সেটারও কোন দিক-নির্দেশনা নেই।

আবার, স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশনসহ সব দপ্তর-অধিদপ্তরের জ্যোষ্ঠ প্রকৌশলী যারা প্রকল্প দেখভালের দায়িত্বে আছেন তারাও একই দায়িত্বে থাকবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহে আছেন। সবকিছুই পরিবর্তনের মুখে রয়েছে। যে কারণে তারাও কোনো সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন না। দায়িত্বশীল কারও সঙ্গে ঠিকাদাররা কথাও বলতে পারছে না।

এ পরিস্থিতিতে ঠিকাদারদের দাবী হলো কোন কাজটা হবে আর কোনটি হবে না সে বিষয়ে সরকার যেন অতি দ্রুত একটা নির্দেশনা দেয়। কাজ বাতিল হলে বড় ধরনের আর্থিক লোকসান এড়াতে সরকারি ঘোষণার দিকে তাকিয়ে তারা।

bdnews24.com এ প্রকাশিত প্রতিবেদনঃ নানা শঙ্কায় মাঠে নেই ঠিকাদাররা, থমকে আছে প্রকল্পের কাজ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই লেখকের অন্যান্য লেখা

FAQ

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?

চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

Read More »
Radio প্রকিউরমেন্টবিডি

রেডিও Talk: ই-জিপিতে ব্যক্তি পরামর্শকদের রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে বৈষম্য

  বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য

Read More »
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
গ্রাহক হোন

শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারিগন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। এক বছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে এখানে ক্লিক করুন

** সীমিত সময়ের জন্য Discount চলছে।

প্রকিউরমেন্ট বিডি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে অনুরোধ করছি।

আপনার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ আমাদের সেবা উন্নত করতে সহায়ক হবে।

ফ্রী রেজিস্ট্রেশন

“প্রকিউরমেন্ট বিডি news”, “সমসাময়িক”, “সূ-চর্চা”, “প্রশিক্ষণ” অথবা “ঠিকাদারী ফোরাম” ইত্যাদি বিষয়ে কমপক্ষে ২টি নিজস্ব Post প্রেরণ করে এক বছরের জন্য Free রেজিষ্ট্রেশন করুণ। Post পাঠানোর জন্য “যোগাযোগ” পাতা ব্যবহার করুণ।

সূচীঃ PPR-25

সর্বশেষ

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?

Scroll to Top