টেন্ডারে দাখিলকৃত সনদ যাচাই করা কি বাধ্যতামূলক ?
সরকারি টেন্ডারের অনেকগুলো ধাপ আছে। তারমধ্যে উল্লখযোগ্য হলোঃ দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, দরপত্র দাখিল, দরপত্র উন্মুক্তকরণ (Opening), দরপত্র মূল্যায়ন (Evaluation), চুক্তি সম্পাদন, ইত্যাদি।
সবগুলো ধাপ মিলে দরপত্র মূল্যায়ন অনেক জটিল এবং সময় সাপেক্ষ ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। পিপিআর-৮ এ উল্লেখিত অনেকগুলো ধাপ অনুসরণ করেই দরপত্র মূল্যায়ন করতে হবে। মনগড়া কিছু দিয়ে হবে না।
এই দরপত্র মূল্যায়নে ১টি সাধারণ প্রশ্ন হলো দরপত্রদাতারা টেন্ডারে যে সব তথ্য, সনদ বা সার্টিফিকেট দাখিল করে তা যাচাই করা কি বাধ্যতামূলক ? সরকারি ক্রয় আইন/বিধির আলোকে আমরা এই প্রশ্নের উত্তর জানার চেষ্টা করবো।
বিস্তারিত জানতে লগইন করুন।
আরও কিছু সাধারন জিজ্ঞাসাঃ
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০২৬ জারীঃ সরকারি ক্রয় ও ব্যয় প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন
দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো পরিবর্তন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০১৫’ বাতিল

ই-জিপিতে Individual Consultant হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
বর্তমান প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধি অনুযায়ি সব ধরনের দরপত্র অনলাইনে করতে হবে। সে হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (e-GP)

ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য
বর্তমানে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (e-GP) পোর্টালে জাতীয় ব্যক্তিগত পরামর্শকদের (Individual Consultant) জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি ৫,০০০ টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাপ্লাই চেইন ডিউ ডিলিজেন্স লঃ প্রকিউরমেন্ট প্রফেশনালদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা
আগে প্রকিউরমেন্ট বা কেনাকাটার মূল মন্ত্র ছিল – “সস্তায় এবং দ্রুততম সময়ে পণ্য আনা”। কিন্তু ২০২৪ সালের পরে এই সমীকরণটি