“অত্যধিক নিম্নদরের দরপত্র” বনাম “চক্রান্ত”: একটি বিশ্লেষণ
সম্প্রতি বিপিপিএ (BPPA: Bangladesh Public Procurement Authority) হতে অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র দাখিল হওয়ার নিয়ে একটি পরিপত্র জারী হয়েছে যেখানে এই ঘটনাকে দরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়া প্রভাবিত করা প্রচেষ্টা গণ্য করে বিষয়টিকে ‘চক্রান্তমূলক কর্ম‘ হিসেবে বিবেচনা যাবে মর্মে সে অনুযায়ি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
পরিপত্রটি দেখুনঃ অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র দাখিল হওয়া নিয়ে পরিপত্র
বিশ্বব্যাপী সরকারি ক্রয়ে অত্যাধিক নিম্নমূল্যের দরপত্র (SLT : Significant Low-Priced Tender) অথবা Abnormally Low Bid (ALB) একটি জটিল সমস্যা।
উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বে পিপিআর, ২০০৮ অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ কার্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে ১০% মূল্যসীমা (Price Capping) ছিল। সে প্রেক্ষিতে টেন্ডারে প্রতিযোগিতার মাত্রা মারাত্নকভাবে হ্রাস পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে দরপত্র মূল্যায়নে মূল্যসীমার (Price Capping) বিধান বাতিল করা হয়। বর্তমানে পিপিআর ২০২৫ – অনুযায়ী উল্লেখযোগ্যভাবে কমমূল্যের (SLT – Significantly Low Priced Tender) দরপত্রসমূহকে একটি ফর্মুলা অনুসরণ করে গ্রহণযোগ্যতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। বিপিপিএ’র বর্ণনা মতে এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উত্তম চর্চার অভিযোজিত রূপ। ফলশ্রুতিতে, পিপিআর, ২০২৫ এ এই SLT কার্যকর হওয়ার পর সরকারী ক্রয়ে প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির বিষয়টি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এছাড়াও, দরপত্র মূল্যায়ন অনেক সহজ এবং ক্রয় বান্ধব প্রতীয়মান হয়েছে।
কিন্তু, ইদানিং আবারও দেখা যাচ্ছে অত্যধিক (যেমন: ৪০%, ৪৫%, এমনকি ৫০% পর্যন্ত) নিম্নদরে দরপত্র দাখিল হচ্ছে। যদিও এরূপ দরপত্র SLT এর ফর্মুলা অনুযায়ি আর্থিক মূল্যায়নে বাদ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এর প্রভাব অন্যান্য দরপত্রের উপর পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিষয়টিকে সমাধানের জন্যই মূলতঃ BPPA হতে পরিপত্রটি জারী করে একে ‘চক্রান্তমূলক কর্ম‘ হিসেবে বিবেচনা করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরূপ চক্রান্তের কাজে জড়িত হলে মূল্যায়নে বাদ যাবে এবং ভবিষ্যতে ডিবার হবে।
এ বিষয়ে আরও প্রতিবেদন দেখুনঃ SLT: টেন্ডারে কৃত্রিম প্রতিযোগিতা এবং নতুন চ্যালেঞ্জ
এখন প্রশ্ন হলো, দরপত্র মূল্যায়নের সময় ALB অথবা SLT এর আলামতকে কি সুস্পষ্ট বা অনিবার্যভাবে চক্রান্তের প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা যাবে?
স্বাভাবিক ভাবেই বিষয়টি ক্রয়কারী দপ্তর, ঠিকাদার/সরবরাহকারী তথা সর্বপরি সরকারি ক্রয়ের সাথে জড়িত সকল স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র দাখিল করলেই কি তা সরাসরি চক্রান্তমূলক কর্ম ? অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র বলতে কতটা নিম্নদরের দরপত্রকে অত্যধিক ধরা হবে ?
ALB কি অনিবার্যভাবে চক্রান্তমূলক কর্ম ?
বিভিন্ন কারনে অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র দাখিল হতে পারে, যেমনঃ প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবনী কৌশল, ক্রয়কারির ভুল প্রাক্কলন, ইত্যাদি। কাজেই অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র দাখিলকে প্রথমেই শুধুমাত্র চক্রান্তমূলক কাজ হিসেবে সরাসরি নাকচ করাটা একপাক্ষিক দৃষ্টিভঙ্গি হতে পারে।
এ বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ক্রয় নীতিমালার পর্যালোচনাও দেখা দরকার। বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) মতো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ক্রয় নীতিমালা অনুযায়ী, অস্বাভাবিক নিম্ন দরপত্র (ALB) সরাসরি চক্রান্ত বা ‘Fraudulent Practice’ নয়, বরং এটি একটি কারিগরি বা আর্থিক অসঙ্গতি এবং কাজ সম্পাদনের ক্ষেত্রে একটি ঝুঁকি (Performance Risk) হিসেবে বিবেচিত হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে, এধরনের কারিগরি বা আর্থিক অসঙ্গতি অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের দাবি রাখে।
বিশ্বব্যাংক (World Bank) এর নীতিমালায় “ALB” এবং “চক্রান্তমূলক কর্ম” কে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ALB হলো এমন একটি দর যা কাজ সম্পাদনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে, অন্যদিকে চক্রান্ত হলো জেনেশুনে তথ্য গোপন বা মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া। যদি দরপত্রদাতা অবাস্তব দর দিয়েছে, তখন মূল্যায়ন কমিটি তা যাচাই করে দেখে। ALB পাওয়া গেলে দরপত্রটি মূল্যায়নে বাদ দেয়া হয়। এরপর আসে চক্রান্ত প্রমাণের প্রশ্ন।
“The Bank’s Anti-Corruption Guidelines” অনুযায়ি ভুয়া বা যোগসাজশে (Collusion) দর পাওয়া গেলে তা চক্রান্ত বা জালিয়াতি হিসেবে গণ্য করার জন্য ‘স্যাংশন বোর্ড’-এ আলাদাভাবে পাঠানো হয়। তারমানে, এখানে চক্রান্তমূলক প্রমাণের নতুন ভাবে আরও খতিয়ে দেখা হয় পুরো বিষয়টি। অর্থাৎ, অত্যাধিক নিম্নদরের কারনে দরপত্রটির মূল্যায়নে বাদ যাওয়া এবং চক্রান্ত বা যোগসাজশের কারনে ডিবার হওয়া ২টি আলাদা বিষয় ও প্রক্রিয়া। তবে, ALB এর মাধ্যমে যোগসাজশ বা চক্রান্ত প্রমাণ করা অনেক জটিল বিষয়।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB- এডিবি) এর ক্রয় নীতিমালা অনুযায়ী, কেবল গাণিতিক সূত্রের ভিত্তিতে কম দামি দরপত্রকে সরাসরি অযোগ্য ঘোষণা করা গ্রহণযোগ্য নয়। এটি মূলত একটি উচ্চতর ঝুঁকি হিসেবে দেখা হয় এবং এর জন্য অধিকতর যাচাই-বাছাই ও ব্যাখ্যার প্রয়োজন পড়ে।

ইউরোপীয় অ্যান্টি-ফ্রড অফিস (OLAF)-এর অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, অনেক সময় সন্দেহজনক কম দাম বাজার কারসাজি বা প্রতিযোগিতাবিরোধী সমন্বয়ের প্রমাণ হিসেবে কাজ করে, তবে দাম কম হওয়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে চক্রান্ত নয়। একজন দরদাতা প্রকৃতপক্ষেই বিশ্বাস করতে পারেন যে তিনি ওই দামে কাজটি শেষ করতে পারবেন, যা জালিয়াতি নয়। এই কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU – ইইউ) প্রকিউরমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক পর্যাপ্ত তদন্ত ছাড়া কেবল কম দামের অজুহাতে দরপত্র বাতিল না করার বিষয়ে সতর্ক করেছে।
কখন একটি ALB চক্রান্তমূলক কর্ম হিসেবে গণ্য হতে পারে?
একটি কম মূল্যের দরপত্র তখনই চক্রান্তমূলক হিসেবে গণ্য যাবে, যখন এর পেছনে দরদাতার অসৎ উদ্দেশ্য বা প্রতারণামূলক আচরণ প্রমাণিত হয়। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে SLT চক্রান্তমূলক কাজ বা জালিয়াতির অংশ বলে বিবেচিত হতে পারে, যেমন –
ভুয়া তথ্য বা ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি: কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করার জন্য জেনেশুনে অসম্ভব কোনো মূল্য উদ্ধৃত করা।
যোগসাজশ (Collusion): যদি কম মূল্যটি অন্য দরদাতাদের সাথে গোপন চুক্তির মাধ্যমে দরপত্রটির প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে দাবি আদায়ের পরিকল্পনা: যদি দরদাতার শুরু থেকেই কাজ করার ইচ্ছা না থাকে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন অজুহাতে দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকে।
উপরের প্রতিটি কার্যক্রমই পর্যাপ্ত তদন্ত এবং যথেষ্ট প্রমান সাপেক্ষ বিষয়ের উপর নির্ভর করবে।
প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ
দরপত্রদাতা কখনই অত্যাধিক কম মূল্য দেয়ার মাধ্যমে ‘ইচ্ছাকৃত প্রতারণা’ (Deceptive Intent) স্বীকার করবে না। আবার অন্য দরদাতাদের সাথে গোপন চুক্তির বিষয়টিও মূল্যায়ন কমিটির জন্য প্রমাণ করা কঠিন। কাজেই, শুধুমাত্র ALB বা SLT-এর উপস্থিতিকে অনিবার্যভাবে চক্রান্তমূলক বা যোগসাজশেরপ্রমাণ হিসেবে গণ্য করা খবই কঠিন। এটা প্রমাণের জন্য মূল্যায়ন কমিটিকে আলাদা অনেক তথ্য সংগ্রহ করতে হবে যা শুধুমাত্র একটি দরপত্রের মূল্যায়নে হয়তো সম্ভব হবে না।
বিশ্বব্যাপী প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, একটি SLT সরাসরি কোনো প্রতারণামূলক কার্যকলাপ নয়; এটি একটি Red Flag বা সতর্ক সংকেত যা অন্তর্নিহিত প্রতারণার (যেমন যোগসাজশ বা ভুল তথ্য প্রদান) ইঙ্গিত দেয়।
নিচের একটা উদাহরন দেখা যেতে পারে (তথ্যগুলো একটা বাস্তব দরপত্র থেকে নেয়া হলেও বোঝার সুবিধার্থে প্রতিষ্ঠানের নাম এবং less এর হার কিছুটা চেঞ্জ করা হয়েছে)।
ছবি তে দেখা যাচ্ছে, আর্থিক মূল্যায়নে SLT ক্যালকুলেশনের পর “প্রতিষ্ঠান D” সর্বনিম্ন হয়েছে। “প্রতিষ্ঠান A” এবং “প্রতিষ্ঠান B” অত্যাধিক নিম্নমূল্যের দরপত্র দিয়েছে। এখন, এখানে কার সাথে কার যোগসাজশ থাকতে পারে ?
“প্রতিষ্ঠান D” এর সাথে “প্রতিষ্ঠান A” নাকি “প্রতিষ্ঠান B” ? নাকি সবাই ?
এমনও তো হতে পারে যে “প্রতিষ্ঠান C” প্রকৃত পক্ষে জড়িত, কিন্তু ভাগ্যদোষে SLT ক্যালকুলেশনে lowest হতে পারেনি।

পিপিআর ২০২৫-এর বিধি ১৪৯(২)(গ) অনুযায়ী ‘চক্রান্তমূলক কর্ম’ বলতে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে কোনো চক্রান্ত বা যোগসাজশমূলক কর্ম বুঝাবে। সব মিলে, SLT তে বাদ পড়া সবাই তো যারা বাদ পড়ে নাই তাদের কারও না কারও সাথে জড়িত থাকার সন্দেহ উড়িয়ে দেয়া যায় না।
এখন, প্রশ্ন হলো, এই যোগসাজশ সন্দেহাতীত ভাবে কিভাবে প্রমাণ হবে ?
পিপিআর ২০২৫ বনাম বিপিপিএ’র পরিপত্র
গত ২৮/০৯/২০২৫ ইং তারিখে পিপিআর ২০২৫ প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে অত্যাধিক নিম্নমূল্যের দরপত্র (Significant Low-Priced Tender: SLT) কে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
এই SLT এর ঝুঁকি এড়াতে, মূল্যায়নের সময় কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য দরদাতাদের প্রস্তাবিত মূল্য, দাপ্তরিক প্রাক্কলিত মূল্য এবং সাম্প্রতিক মূল্যসূচকের ভিত্তিতে একটি মুল্যায়ন প্রক্রিয়া যুক্ত করা হয়েছে। কারিগরি মূল্যায়নের পর এখানে একটি জটিল সমীকরণের মাধ্যমে e-GP সিস্টেম স্বয়ংক্রিয় ভাবে SLT এর সীমা অর্থাৎ মূল্যের সর্বনিম্ন সীমা (Lowest Limit of Accepted Price) নির্ধারন করে। এই সীমার উপরের দরপত্রগুলো সিস্টেমে অটোমেটিক বাদ যায়। ফলে, উল্লেখযোগ্যভাবে কম মূল্যের দরপত্রগুলি price comparison report (TER3) এ অন্তর্ভুক্ত হয় না। এভাবে আর্থিক মূল্যায়নের সর্বনিম্ন দরপত্র নির্ধারণ হয়।
SLT এর মূল্যায়ন কিভাবে হয় দেখতে ক্লিক করুনঃ SLT দরপত্র চিহ্নিতকরণ ও মূল্যায়ন
এখানে দেখা যাচ্ছে, অত্যাধিক নিম্ন দরের দরপত্রকে বাদ দেয়ার জন্যই SLT চালু করা হয়েছে। তাহলে আবার অত্যাধিক নিম্নমূল্যে দরপত্র দেওয়াকে চক্রান্তমূলক বলা হবে কেন ? এটাই যদি করা হবে তাহলে এই SLT চালুর দরকার কি ?
আবার, এই চক্রান্তর সাথে যে বিজয়ী দরদাতা এবং যিনি SLT মূল্যায়নে বাদ পড়েছেন এই দুইজনই যে জড়িত এটা কিভাবে প্রমাণ হবে ? প্রমাণ করা না গেলে চক্রান্ত কিভাবে হলো ? এছাড়াও, চক্রান্ত ধরতে গেলে ২ জনকেই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। SLT মূল্যায়নের পর পর যিনি সর্বনিম্ন দরদাতা থাকবেন তাকে চক্রান্তের সাথে জড়িত হিসেবে বাদ দেয়া কি সহজ হবে ?
ফলে, এভাবে অস্পষ্ট ধারণার উপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত শাস্তি হিসেবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২টিকেই ডিবার করতে হবে যা দরপত্র মূল্যায়নকে সর্বপরি সমগ্র ক্রয় কার্যক্রমকেই ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে।

সারকথা
সংক্ষেপে বলা যায়, অস্বাভাবিক নিম্ন দরপত্র (SLT) নিজেই সরাসরি চক্রান্ত নয়, বরং এটি চক্রান্ত বা জোগসাজশ বিদ্যমান থাকার একটি সতর্ক সংকেত (Warning Signal) হতে পারে। যদি তদন্তে দেখা যায় যে কম মূল্যের দরপত্রটি তথ্য গোপন বা প্রতারণার মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে, তবেই তাকে চক্রান্ত হিসেবে অভিহিত করা যাবে। অন্যথায়, এটি কেবল একটি প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র হিসেবেই বিবেচিত হওয়ার দাবি রাখে যাকে SLT পরীক্ষায় বাদ দেয়া যেতে পারে। কিন্তু যে দরপত্রটি বিজয়ী হয়েছে তাকে সরাসরি চক্রান্তের সাথে জড়িত করতে গেলে আরও অনেক তথ্য প্রমান লাগবে।
কাজেই, বিপিপিএ অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র দাখিল হওয়ার নিয়ে চক্রান্তের সন্দেহে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ ছাড়াই কোন প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির আওতায় আনা হলে জটিলতা বৃদ্ধি পাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। না হলে SLT নিয়ে অথবা অত্যাধিক নিম্ন দরপত্রের মূল্যায়ন ও চক্রান্তের কারণে শাস্তির বিষয়গুলো নিয়ে আরও আলোচনায় বসতে হতে পারে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

অত্যধিক নিম্নদরের দরপত্র কি চক্রান্তমূলক কর্ম ?
বিস্তারিত দেখুনঃ “অত্যধিক নিম্নদরের দরপত্র” বনাম “চক্রান্ত”: একটি বিশ্লেষণ

ন্যাশনাল প্রকিউরমেন্ট ট্রেইনার নিয়োগ ২০২৬ | BPPA Trainer Pool
বিস্তারিত দেখুনঃ ন্যাশনাল প্রকিউরমেন্ট ট্রেইনার পুল সম্প্রসারণ হচ্ছেঃ আবেদনের বিস্তারিত জানুন

SLT টেন্ডারে কৃত্রিম প্রতিযোগিতা !! এনালাইসিস করে যা পাওয়া গেল
বিস্তারিত দেখুনঃ SLT: টেন্ডারে কৃত্রিম প্রতিযোগিতা এবং নতুন চ্যালেঞ্জ

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে পিডি নিয়োগ কিভাবে হয়?
প্রকল্প বা প্রজেক্ট (Project) নিয়ে কথা বললেই প্রকল্প পরিচালক (PD: Project Director) শব্দটি চলে আসে। এই পিডি হওয়া নিয়ে অনেক