Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

এলটিএম এর ৫% বিধান বাতিলের প্রস্তাব

Facebook
Twitter
LinkedIn

সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬ সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কর্তৃক অর্থ সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি করা হয়েছে। ওই কমিটির সুপারিশের আলোকে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬ সংশোধনের জন্য একটি খসড়া অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উপস্থাপনের জন্য পাঠানো হলে সেটি সংশোধনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বিপিপিএতে ফেরত পাঠানো হয়।

অডিট আপত্তি নিয়ে কেস স্টাডি দেখুনঃ অডিট আপত্তি

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬ সংশোধনের জন্য যে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা নিচে দেয়া হলোঃ

  • পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬-এর ধারা ৩১ এ উল্লেখিত ১০ শতাংশ সংক্রান্ত বিধান অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ কার্যাদেশের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে বিদ্যমান ১০ শতাংশ বিধানের বিলোপ করা হতে পারে। অস্বাভাবিক নিম্নদরের ঝুঁকি প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণের জন্য অংশীজন সভার সুপারিশক্রমে একটি কারিগরি ওয়াকিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। ওই ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি বলে বৈঠকে জানানো হয়।
  • বিদ্যমান আইনে পণ্য ও কার্য ক্রয়ের পাশাপাশি ভৌত সেবা ক্রয়কে পৃথক ক্রয় বিবেচনা এবং সম্পূর্ণ জিওবি অর্থে তথ্যপ্রযুক্তিজাত সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক প্রস্তাব আহ্বান অপরিহার্য হলে দেশি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে যৌথ উদ্যোগের অংশীদার করার বিষয়টি আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
  • ই-জিপি সিস্টেমে প্রক্রিয়াযোগ্য সব সরকারি ক্রয়ে বাধ্যতামূলক ইলেকট্রনিক পরিচালন পদ্ধতিতে সম্পাদনের বিধান রাখা হয়েছে।
  • আইনের ধারা ১৯ এবং ধারা ৩২-এ সীমিত দরপত্র পদ্ধতির ক্ষেত্রেও বিদ্যমান ৫ শতাংশ তুলে দিয়ে সংশোধনী খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। আইনটি সংশোধনের লক্ষ্যে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে (আইএমইডি) সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে অংশীজন সভা এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা হয়েছে।

সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা আনতে শতভাগ e-GP (ইজিপি: ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট) বা ইলেকট্রনিক পরিচালন পদ্ধতিতে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিগগিরই এটি বাস্তবায়ন করা হবে। এতে একদিকে যেমন স্বচ্ছতা আসবে; অন্যদিকে দুর্নীতি, অর্থের অপচয় ও টেন্ডারবাজি কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এখন বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। বর্তমানে কেনাকাটার প্রায় ৬০ শতাংশ ইজিপিতে হয়।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনে যেসব বিধান সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে, ওই বিধানসংশ্লিষ্ট বিধিগুলো একই সঙ্গে সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা যৌক্তিক হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই লেখকের অন্যান্য লেখা

FAQ

LTM টেন্ডারের Performance Security/Retention Money কখন কোনটি ফেরত হবে ?

সর্বশেষ প্রনীত PPR-2025 এবং আদর্শ দরপত্র দলিল (STD) অনুযায়ী, বর্তমানে অনেক কিছু আপডেট হয়েছে। ফলে পারফরমেন্স সিকিউরিটি এবং রিটেনশন মানি নিয়ে

Read More »
সমসাময়িক

NEOM & The Line: একটি কৌশলগত প্রকল্প এবং ক্রয় পরিকল্পনার মহাবিপর্যয়

সৌদি আরবের ১ ট্রিলিয়ন ডলারের উচ্চাভিলাষী মেগা প্রজেক্ট ‘দ্য লাইন’ বর্তমানে এক গভীর কৌশলগত সংকটের সম্মুখীন হয়েছে, যা মূলত পেশাদার

Read More »
BPPA Circulars

অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র দাখিল হওয়ার নিয়ে বিপিপিএ’র পরিপত্র জারী

সম্প্রতি বিপিপিএ (Bangladesh Public Procurement Authority – BPPA) হতে অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র দাখিল হওয়ার নিয়ে একটি পরিপত্র জারী করা হয়েছে।

Read More »
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
গ্রাহক হোন

শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারিগন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। এক বছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে এখানে ক্লিক করুন

** সীমিত সময়ের জন্য Discount চলছে।

প্রকিউরমেন্ট বিডি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে অনুরোধ করছি।

আপনার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ আমাদের সেবা উন্নত করতে সহায়ক হবে।

ফ্রী রেজিস্ট্রেশন

“প্রকিউরমেন্ট বিডি news”, “সমসাময়িক”, “সূ-চর্চা”, “প্রশিক্ষণ” অথবা “ঠিকাদারী ফোরাম” ইত্যাদি বিষয়ে কমপক্ষে ২টি নিজস্ব Post প্রেরণ করে এক বছরের জন্য Free রেজিষ্ট্রেশন করুণ। Post পাঠানোর জন্য “যোগাযোগ” পাতা ব্যবহার করুণ।

সূচীঃ PPR-25

সর্বশেষ

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?

Scroll to Top