বাংলাদেশে এলটিএম টেন্ডার জনপ্রিয় কেন
সীমিত দরপত্র পদ্ধতি বা এলটিএম (Limited Tendering Method – LTM) সরকারি ক্রয় পদ্ধতিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি পদ্ধতি।
পিপিআর-০৮ অনুযায়ি এই LTM দুই ধরনেরঃ
১। মূল্যসীমা ব্যাতিতঃ যে কোন মূল্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
২। মূল্যসীমা যুক্তঃ নির্দিষ্ট মূল্যসীমা (কার্য ও ও ভৌত সেবার ক্ষেত্রে ৩ কোটি টাকা, পণ্য ও সংশ্লিষ্ট সেবার ক্ষেত্রে ২৫ লক্ষ টাকা) এর জন্য প্রযোজ্য।
উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি (ওটিএম – OTM) সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য দরপত্র পদ্ধতি হলেও দরপত্রে অংশগ্রহনের হার বিবেচনায় নিলে বাংলাদেশে এলটিএম এর কার্য ক্রয় (Works Procurement) এর ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত দরপত্র পদ্ধতিই সবচেয়ে জনপ্রিয়। কার্য ক্রয়ের বেলায় এই পদ্ধতিটি নিয়ে ক্রয়কারি ও দরদাতাদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্যনীয়।
এর কারণগুলো নিচে বর্ণনা করা হল।
বিস্তারিত জানতে লগইন করুন।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস

রেডিও Talk: ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ, কবে মিলবে সমাধান ?

রেডিও Talk: ই-জিপিতে ব্যক্তি পরামর্শকদের রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে বৈষম্য
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য