Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

করোনা পরিস্থিতিতে পূর্ত কাজের কার্যাদেশ প্রদান বন্ধ রাখতে হবে

Facebook
Twitter
LinkedIn
গত ২৬ এপ্রিল ২০২১ তারিখে অর্থ মন্ত্রণালয় হতে চলতি অর্থবছরে (জুলাই ২০২০ -জুন ২০২১) পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় নতুন কোন পূর্ত কাজ (Civil Works, নির্মাণ-স্থাপনা) এর কার্যাদেশ প্রদান না করা সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারী হয়েছে।
পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট বলতে কি বোঝায় জানতে ক্লিক করুন
No NOA during Covid situation_26.04.21

 

সুতরাং উপরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ি সব ধরনের পূর্ত কাজ-ই এই নির্দেশনার আওতায় পরবে। অর্থাৎ উপজেলার এডিপি, যে কোন থোক বরাদ্দ বা নিজস্ব আয় হতে ক্রয় কার্যক্রম, বৈদেশিক সাহায্য পুষ্ট উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ইত্যাদি পূর্ত কাজ নির্বিশেষে সব ধরনের নির্মাণ-স্থাপনা সংক্রান্ত নতুন কাজের কার্যাদেশ বা NOA প্রদান করা যাবে না।

তবে, এর আওতায় পণ্য (Goods) ও সেবা (Services) বা আউট সোর্সিং সংক্রান্ত দরপত্রের কাজের কার্যাদেশ বা NOA প্রদান করা যাবে। অবশ্য ইতোমধ্যেই গাড়ি ক্রয় না করার জন্য নির্দেশনা বহাল আছে … বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন

এই নির্দেশনা ই-জিপি বা ম্যানুয়াল সব ধরনের পূর্ত কাজ (Works) এর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

তবে, এই প্রজ্ঞাপনে কিছু বিষয় পরিষ্কার করা হয় নি –

১। যে সমস্ত দরপত্রগুলোর মূল্যায়ন কার্যক্রম চলমান আছে সেগুলোর টেন্ডার ভেলিডিটি (Tender validity) এর মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে কোন নির্দেশনা দেয়া হয় নি। অন্তত জুন ২০২১ পর্যন্ত যে বৃদ্ধি করতে হবে তা এই প্রজ্ঞাপনে বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু এই মেয়াদ আবারও বাড়বে কি না তা বলা হয় নি। কতদিন পর্যন্ত তা বৃদ্ধি করা হবে তার কোন ধারনা দেয়া হয় নি।

২। আবার, টেন্ডার সিকিউরিটিগুলোর কি হবে ? দরপত্র মূল্যায়ন সমাপ্ত হলেও তিনটি দরপত্রের টেন্ডার সিকিউরিটি ছাড় না করার বিষয়ে PPR-08 এ বাধ্য বাধকতা আছে।

যে প্রকল্পগুলো এই বছরে বা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হবে সেগুলোর বিষয়ে এই সিদ্ধান্তের ফলে নতুন করে পরিকল্পনা করতে হবে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি বর্তমানে সারাদেশে লকডাউন চলছে। পার্শ্ববর্তী দেশেও করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। এ অবস্থায় মাঠ পর্যায়ে পূর্ত কাজ বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব এবং ঝুকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। এখন, কোভিড-১৯ এর বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং সরকারের কৃচ্ছতা সাধনের নীতির বাস্তবায়নের জন্য এই প্রজ্ঞাপন একটি সময়োচিত পদক্ষেপ বলে বিজ্ঞজনরা মনে করছেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই লেখকের অন্যান্য লেখা

FAQ

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?

চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

Read More »
Radio প্রকিউরমেন্টবিডি

রেডিও Talk: ই-জিপিতে ব্যক্তি পরামর্শকদের রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে বৈষম্য

  বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য

Read More »
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
গ্রাহক হোন

শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারিগন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। এক বছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে এখানে ক্লিক করুন

** সীমিত সময়ের জন্য Discount চলছে।

প্রকিউরমেন্ট বিডি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে অনুরোধ করছি।

আপনার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ আমাদের সেবা উন্নত করতে সহায়ক হবে।

ফ্রী রেজিস্ট্রেশন

“প্রকিউরমেন্ট বিডি news”, “সমসাময়িক”, “সূ-চর্চা”, “প্রশিক্ষণ” অথবা “ঠিকাদারী ফোরাম” ইত্যাদি বিষয়ে কমপক্ষে ২টি নিজস্ব Post প্রেরণ করে এক বছরের জন্য Free রেজিষ্ট্রেশন করুণ। Post পাঠানোর জন্য “যোগাযোগ” পাতা ব্যবহার করুণ।

সূচীঃ PPR-25

সর্বশেষ

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?

Scroll to Top