Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors

২১ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে জারীকৃত পিপিআর-০৮ এ সংশোধনী

Facebook
Twitter
LinkedIn

২১ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে জারীকৃত পিপিআর-০৮ এ সংশোধনী
একটি অপ্রচ্ছন্ন আলাপ-সালাপ

অতি সম্প্রতি (২১ নভেম্বর, ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ), সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট কর্তৃক পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন-০৬ এর ৪র্থ সংশোধনী অনুযায়ী পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা -০৮ এ বেশকিছু সংশোধনী যোগ হয়েছে। এতে মোট ২৯ টি বিধি সংশোধন হয়েছে। এছাড়া তফসিল ২, ৩, ৭, ১২ ও ১৪ তে-ও সংশোধন করা হয়েছে। নিচে এর উল্লেকযোগ্য অংশগুলোর উপর একটি সাধাসিদে আলোচনার সূত্রপাত করা হলঃ

সংশোধনী-(৪): বিধি ১৬ এর উপ-বিধি (৫ক) ও (৫খ) সংশোধন

“ক্রয়কারী কর্তৃক নিজ এবং অন্য ক্রয়কারীর প্রতিনিধিসহ ৩ (তিন) জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত কমিটি দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ক্রয়ের দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয় (official cost estimate) প্রস্তুত করিবে”

পর্যবেক্ষনঃ বিধি ১৬ এর উপ-বিধি (৫খ) অনুযায়ী দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয় অনুমোদন করবেন ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধান বা অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ। আবার এই দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয় (official cost estimate) প্রস্তুতের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান অনুসরণ করে প্রস্তুত করে থাকে। কাজের ধরণ অনুযায়ী অনেক সময় বিশেষজ্ঞ বা মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের অন্যান্য শাখার সাহায্য নিতে হয়। আবার স্বল্পমূল্যের ক্রয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ক্রয়কারী নিজেই তা করে থাকেন। এখন, ৩ (তিন) জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে দাপ্তরিক প্রাক্কলন প্রস্তুত করতে বলায় বিষয়টি একটি আইনি বাধ্য-বাধকতা হয়ে গেল। এছাড়াও, অন্য ক্রয়কারীর প্রতিনিধি বলতে কি একই মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের ক্রয়কারীর প্রতিনিধি কিনা তা বলা হয় নাই। যদি অন্য ক্রয়কারীর প্রতিনিধি দাপ্তরিক প্রাক্কলন প্রস্তুতের সাথে জড়িত থাকেন, সেক্ষেত্রে তা গোপন বা সীলগাল রাখার যৌক্তিকতা কতটুকু। দাপ্তরিক প্রাক্কলন প্রস্তুত অবশ্যই Standardize হতে হবে, সঠিক ভাবে তা হচ্ছে কিনা তা তদারকি করার একটা Tool বের করতে হবে। আইন দিয়ে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে তা কাজের গতি হ্রাস করার আশংকা করা যায়।

সংশোধনী-(৮): বিধি ২৭ এর (ক) উপ-বিধি (২)

“ফ্রন্ট লোডিং এর কারণে দরপত্রে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হইয়াছে বলিয়া দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির নিকট প্রতীয়মান হইলে, উক্ত কমিটি তফসিল-২ এ নির্দিষ্টকৃত কার্যসম্পাদন জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধির জন্য ক্রয়কারীর নিকট সুপারিশ করিতে পারিবে এবং ক্রয়কারী উক্ত সুপারিশ অনুসারে কার্যসম্পাদন জামানত বৃদ্ধি করিবে।”

পর্যবেক্ষনঃ শুধুমাত্র ফ্রন্ট লোডিং এর ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে, “দাপ্তরিক প্রাক্কলিত মূল্য থেকে উল্লেখযোগ্য কম পরিমানে দরপত্র মূল্য উদ্ধৃত করলে” অংশটুকু বাদ দেয়া হয়েছে। আমার মনে হয়, অনেক কম দরে দরপত্র দাখিল হবার ক্ষেত্রে ব্যবস্থাটি অনেক ক্ষেত্রে কার্যকরী ছিল। এসকল দরদাতাদের উপর এ ব্যবস্থা একটা মানসিক চাপ তৈরী করত। তবে সেটাও কোন সু-কার্যকর ব্যবস্থা নয়।

যদিও উপরোক্ত সংশধোনীটি শুধুমাত্র অভ্যন্তরিন, কার্য এবং উন্মুক্ত দরপত্রের জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু আন্তর্জাতিক, পণ্য ও সেবা এবং অন্যান্য ক্রয় পদ্ধতির জন্য অতিমাত্রায় কম দরে দরপত্র দাখিল হলে সেক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষরের সময় কোন Financial obligation এর বিষয় আর থাকল না। পিপিআর-০৮ বিধি ৯৮(২৩) এবং বিধি বিধি ৯৮(২৮) অনুযায়ি বিষয়টি পরিষ্কার ভাবে সমাধান যোগ্য কিনা তা খতিয়ে দেখা যেতে পারে।

সংশোধনী-(২০): বিধি ৯০ এর উপ-বিধি (২) এর দফা (গ)

“জাতীয় পর্যায়ে বিজ্ঞাপন প্রদানের অতিরিক্ত হিসাবে তফসিল ২ এ বর্ণিত মূল্যসীমার অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে ঢাকার বাহিরে কার্যরত ক্রয়কারী, সরকারি মিডিয়া তালিকাভুক্ত বহুল প্রচারিত ১ (এক) টি আঞ্চলিক বা স্থানীয় দৈনিক সংবাদপত্রে ১ (এক) দিনের জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশ করিবে;”

পর্যবেক্ষনঃ ২টি পত্রিকায় পর পর ২ (দুই) দিনের জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশ শিথিল করা হয়েছে।

সংশোধনী-(২২): বিধি ৯৮ এর (ক) উপ-বিধি (২)

“(২) দরপত্র দলিলে উল্লিখিত মূল্যায়নের নির্ণায়কসমূহ ব্যতীত অন্য কোন নির্ণায়কের ভিত্তিতে কোন দরপত্র মূল্যায়ন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আওতায় অভ্যন্তরীণ কার্যক্রয়ের ক্ষেত্রে উপ-বিধি (৩১) ও (৩২) প্রয়োগের পূর্বে উপ-বিধি (২ক) তে বর্ণিত শর্তাবলী আবশ্যিকভাবে অনুসরণীয় হইবে।

(২ক) উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আওতায় অভ্যন্তরীণ কার্যক্রয়ে দরপত্র মূল্যের সমতার ক্ষেত্রে উপ-বিধি (৩১) ও (৩২) প্রয়োগের পূর্বে ক্রয়কারী কর্তৃক দরপত্র দলিলে চাহিত নির্ণায়কসমূহের অতিরিক্ত হিসাবে দরপত্রদাতার অতীত কার্যসম্পাদনের মান নির্ণয় ও মূল্যায়নে নিন্মরূপ বর্ণিত বিষয়সমূহ বিবেচনা করিতে হইবে:

(ক) Litigation history তে বর্ণিত বিগত ৫ (পাঁচ) বৎসরে বিভিন্ন ক্রয়কারীর বিরুদ্ধে দরপত্রদাতা কতটি মামলা দায়ের করিয়াছিলেন এবং উহার মধ্যে কতটি মামলায় তিনি জয়ী হইয়াছেন উহার সংখ্যা উল্লেখ করিতে হইবে;

(খ) দরপত্রদাতা বিগত ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে বিভিন্ন ক্রয়কারী কর্তৃক দরপত্রে অংশগ্রহণে বারিত (debarred) হইয়াছিলেন কিনা, হইলে তাহার বিবরণ;

(গ) দরপত্রদাতার অসমর্থতার কারণে বিভিন্ন ক্রয়কারী কর্তৃক বিগত ৫ (পাঁচ) বৎসরে কোন চুক্তি অসমাপ্ত অবস্থায় বাতিল হইয়াছিল কি-না, হইলে তাহার বিবরণ;

(ঘ) কোন চুক্তি বাস্তবায়নে দরপত্রদাতা যথাসময়ে কার্য সম্পাদন সমাপ্ত না করিবার কারণে বিগত ৫ (পাঁচ) বৎসরে কোন চুক্তির মূল্য সমাপ্তির সময় বর্ধিত করা হইয়াছিল কি-না, হইলে তাহার বিবরণ;

(ঙ) দরপত্রদাতা কর্তৃক কোন চুক্তি বাস্তবায়নকালে দরপত্রদাতার উপরে বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ (liquidated damage) আরোপ করা হইয়াছিল কি-না, হইলে তাহার বিবরণ;

(চ) দরপত্রদাতা কর্তৃক বিগত ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে সম্পাদিত কার্যসমূহের ত্রুটিজনিত দায় (defect liability) সার্টিফিকেট জমা প্রদান করিতে হইবে এবং কোন কারণে উক্ত ত্রুটিজনিত দায়ের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রয়োজন হইয়াছিল কি-না, হইলে তাহার বিবরণ;

(ছ) দরপত্রদাতা বিগত ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে কখনও দেউলিয়া বা ঋণগ্রস্ত (Insolvent or bankrupt) ছিল কি-না, হইলে তাহার বিবরণ;

(জ) দফা (ক) হইতে (ছ) তে বর্ণিত নির্ণায়কসমূহের পয়েন্ট বন্টন আদর্শ দরপত্র দলিলে উল্লেখ করিতে হইবে।”;

পর্যবেক্ষনঃ এই সংশোধনী টি-ই সবার নজর বেশি কাটবে বলে মনে হচ্ছে। সকল দরপত্রদাতাকে তার বিগত ৫ (পাঁচ) বৎসরের প্রায় সকল তথ্য-ই জমা দিতে হবে। আবার মূল্যায়ন কমিটি কে-ও সকল তথ্য অনুযায়ী দরপত্র দলিলে উল্লেখিত নির্ণায়কসমূহের ভিত্তিতে পয়েন্ট প্রদান করে সমদরের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন গ্রহনযোগ্য দরদাতা নির্ধারণ করতে হবে। শুধু তাই নয়, সেক্ষেত্রে যেসকল তথ্যের ভিত্তিতে তা করা হবে, সেগুলো-ও বিধি ১০০ অনুযায়ি দরপত্র দাখিল উত্তর যোগ্যতা যাচাই করতে হবে। এখন, এক্ষেত্রে পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি কাগজ পত্র যাচাই করতে হবে বলে আশংকা করা যায়। উপরোক্ত সকল তথ্যের আলোকে দলিলাদি সংগ্রহ করা দরপত্রদাতাদের জন্য-ও একটি শ্রমসাধ্য কাজ বলে ধরে নেয়া যায়। এছাড়া, চুক্তি বাতিল, সময় বর্ধনের কার্যকারণ, defect liability, দেউলিয়া বা ঋণগ্রস্ত হওয়া, ইত্যাদি আইনি বিষয়গুলো কখনই সহজ বলে বিবেচিত হয় না। কাজেই দরপত্রদাতাদের মাধ্যমে সঠিক ভাবে তা জমা দেয়া এবং মূল্যায়ন কমিটি কর্তৃক তা উপরোক্ত ধারা অনুযায়ী মূল্যায়ন করে সর্বনিম্ন গ্রহনযোগ্য দরদাতা নির্ধারণ করার মাঝে যে কত শত প্রশ্ন সামনে আসবে তা সহজেই অনুমান করা যায়।

বর্তমান সংশোধনের ফলে দাপ্তরিক প্রাক্কলিনের গুরূত্ব দরপত্রদাতাদের কাছে অনেক বৃদ্ধি পাবে। এতে প্রতিযোগিতার পরিবেশ বিনষ্ট হবে বলে আশংকা করা যায়। সবার আগ্রহ থাকবে যে কোন ভাবে দাপ্তরিক প্রাক্কলন অনুযায়ী একেবারে ১০% কম দরে দরপত্র দাখিল করা। ফলে উন্মুক্ত দরপত্রের ক্ষেত্রে যেখানে বর্তমান ব্যবস্থা অনুযায়ী সমদর হবার সম্ভাবনা একেবারে নেই বললেই চলে (অন্তত ই-জিপির ক্ষেত্রে দশমিকের পর ৩ ডিজিট পর্যন্ত দর দিতে হয় বলে)। আমার অভিজ্ঞতায় উন্মুক্ত দরপত্রের ক্ষেত্রে প্রতি হাজারে ১টি/২টি দরপত্রে সমদর পাওয়া গিয়েছে। এখন যদি, বর্তমান সংশোধনীর ফলে সমদরে দরপত্র দাখিলের পরিমান বৃদ্ধি পায়, তাহলে তা কি collusion বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রতীয়মান হবে কিনা?

ক্রয় কার্যক্রমে দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন একটি সহজাত অংশগ্রহন মূলক ব্যবস্থা। এতে যত বেশি নির্ণায়ক যোগ হবে, ততো বেশি প্রতিযোগিতাহীন হবার ক্ষেত্র তৈরী হবে। এছাড়া-ও পুরো বিষয়টির সাথে প্রশিক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে মনে করার যথেষ্ট কারন রয়েছে – একাধারে দরপত্রদাতা, ক্রয়কারী এবং মূল্যায়ন কমিটি সবার।

সংশোধনী-(২৯): বিধি ১২৭ এর (গ)

“কোন ব্যক্তি, ঠিকাদার, সরবরাহকারী বা পরামর্শক কর্র্তৃক চুক্তির কোন মৌলিক শর্ত ভঙ্গ করিবার কারণে ক্রয়কারী চুক্তি বাতিল করিলে, ক্রয়কারী নিজস্ব বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১ (এক) বৎসর অথবা অনধিক ২ (দুই) বৎসরের জন্য ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধান (HOPE) এর অনুমোদনক্রমে উক্ত ক্রয়কারীর এবং অন্য সকল ক্রয়কারীর ক্রয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণা করিতে পারিবে”।

পর্যবেক্ষনঃ এই সংশোধনীটা হয়তো ক্রয়কারীর জন্য ভাল হবে। বিশেষ করে দরপত্রদাতাদের চুক্তি বাস্তবায়নে আরো মনযোগী করবে বলে ধারনা করা যায়।

পরিশেষঃ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬ এর ৪র্থ সংশোধনীর আলোকে জারীকৃত পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮ এর সংশোধনের ফলে প্রাসঙ্গিকভাবে মূল্যায়ন কমিটির কাজ বেড়ে যাবে এবং ধারণা করা যায় এতে মূল্যায়ন সময় বেশি লাগবে। উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির ক্ষেত্রে যেহেতু অফিসিয়াল প্রাক্কলন দরপত্রদাতাদের নিকট গোপন থাকবে সেহেতু দরপত্র দাতা এবং সংশ্লিষ্ট ক্রয়কারী দপ্তর সহ অর্গানাইজেশনে collusion practice বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা থাকবে। কারণ এই প্রাক্কলন গোপন রাখা সম্ভব হবে বলে বিশ্বাস করা বাস্তবে কঠিন। এই প্রাক্কলন প্রস্তুতে সকল সরকারী দপ্তর-ই কোন না কোন Rate Schedule বই ব্যবহার করে প্রাক্কলন তৈরী করে (যেমনঃ PWD, LGED, WDB, RHD, ইত্যাদি সহ তাদের নিজস্ব অনুমোদিত Rate Schedule বই ব্যবহার করে থাকে)। এই বই গুলো অনেকটাই উন্মুক্ত দলিল। একেক দপ্তর তাদের প্রয়োজনে অনেক সময় রেফারেন্স হিসেবে অন্য দপ্তরের Rate Schedule বই পর্যালোচনার কাজে ব্যবহার করে। কাজেই প্রাক্কলন তৈরীর রেফারেন্স হিসেবে এই Rate Schedule বই আদতে কোন গোপনীয় দলিল দস্তাবেজ নয়। ফলে যে সকল দরপত্রদাতার সাথে অফিসগুলোর সখ্যতা বেশি থাকবে তারা বেশি সুবিধা পাবে বলে আশংকা না করার কোন কারণ নাই।

তবে, বিধিমালা জারী হলেও দরপত্র দলিল প্রস্তুতি এবং মূল্যায়নে তা এই মূহূর্তে কার্যকর হচ্ছে না। কারণ বিধি ৯৮ এর (ক) উপ-বিধি (২ক) (জ) অনুযায়ী CPTU কে এ সংক্রান্ত আদর্শ দরপত্র দলিল প্রস্তুত করে প্রকাশ করতে হবে।

ই-জিপি সূচনা হবার ফলে সংশ্লিষ্ট দরপত্রদাতা, ক্রয়কারী, মূল্যায়ন কমিটি, ইত্যাদি সবাই কিছুটা স্বস্থির নিঃশ্বাস নিতে পেরেছিলেন বলে মনে করা যায়। এখন, এই নতুন সংশোধনী সংশ্লিষ্ট সবার জীবন দূর্বিষহ করে তুলে কিনা তা দেখার জন্য আরো কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে।

তারিখঃ ৫ ডিসেম্বর ২০১৬

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই লেখকের অন্যান্য লেখা

ai generated, city, new york-8428608.jpg
প্রকিউরমেন্ট বিডি news

টেন্ডারে দাখিলকৃত গ্যারান্টি নগদায়নে ব্যাংকগুলো সহযোগিতা করছে না

টেন্ডারে দরপত্র জামানত (Tender Security) এবং কার্যসম্পাদান জামানত (Performance Security) হিসেবে ব্যাংক গ্যারান্টি জমা দিতে হয়। এই গ্যারান্টির একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ

Read More »
FAQ

ক্রয়কারির চাহিদা অনুযায়ি BG/PG ফেরতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা

ক্রয়চুক্তির অধীন কোন শর্ত পূরণে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতার কারণে ক্রয়কারী ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেক্ষেত্রে ক্রয়কারীর  লিখিত দাবীর প্রেক্ষিতে জামানত ইস্যুকারী ব্যাংক

Read More »
FAQ

ই-প্রকিউরমেন্ট বাস্তবায়নে সফলতার জন্য কি কি প্রয়োজন ?

বড় ধরণের এবং আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অবশ্যই স্বচ্ছ, দক্ষ এবং জবাবদিহিমূলক হতে হবে। সরকারের ডিজিটাল কাঠামো পরিবর্তিত হতে

Read More »
প্রকিউরমেন্ট বিডি news

বর্তমান বছরেই SPP ব্যবহার করার পরিকল্পনা

Sustainable Development Goal (SDG) এর লক্ষ্যমাত্রা ১২ এবং ১২.৭ অর্জনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (BPPA) ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর

Read More »
Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Post Type Selectors
গ্রাহক হোন

শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারিগন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। এক বছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে এখানে ক্লিক করুন

ফ্রী রেজিস্ট্রেশন

“প্রকিউরমেন্ট বিডি news”, “সমসাময়িক”, “সূ-চর্চা”, “প্রশিক্ষণ” অথবা “ঠিকাদারী ফোরাম” ইত্যাদি বিষয়ে কমপক্ষে ২টি নিজস্ব Post প্রেরণ করে এক বছরের জন্য Free রেজিষ্ট্রেশন করুণ। Post পাঠানোর জন্য “যোগাযোগ” পাতা ব্যবহার করুণ।

সূচীঃ PPR-08

Scroll to Top