পিপিআর ২০০৮ এর খসড়া সংশোধনী প্রকাশ
সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর), ২০০৮ সংশোধনের লক্ষ্যে একটি খসড়া সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে। এই খসড়া সংশোধনীর উপর আগামী ১৮ আগষ্ট ২০২৫ইং তারিখ পর্যন্ত মতামত দেয়া যাবে।
পিপিআর-০৮ এর প্রস্তাবিত খসড়া সংশোধনী দেখতে ক্লিক করুন।
উল্লেখ্য যে, ৪ মে ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত সরকারি ক্রয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুযায়ী পিপিআর ২০০৮ সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে।
আরও দেখুনঃ সরকারি ক্রয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫
এই সংশোধনী জারীর বিষয়ে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অংশীজন বা Stakeholders সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
আরও দেখুনঃ অধ্যাদেশ জারীর পরও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংস্কার আটকে আছে কেন !
বর্তমান পিপিআর ২০০৮-এ মোট ১৩০টি বিধি রয়েছে এবং তার মধ্যে খসড়ায় মোট ৮৮টি বিধিতে সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত মূল সংশোধনগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ
- ওপেন টেন্ডারিং পদ্ধতিতে (OTM) জাতীয় কার্যাদেশের জন্য ১০% মূল্যসীমা বাতিল,
- ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (e-GP) ব্যবস্থার বাধ্যতামূলক ব্যবহার,
- চুক্তিপ্রাপ্ত ঠিকাদার বা সরবরাহকারীর মালিকানা তথ্য প্রকাশ,
- ‘ফিজিক্যাল সার্ভিস’কে আলাদা ক্রয় শ্রেণি হিসেবে অন্তর্ভুক্তি,
- সাধারণ কাজ ও পরামর্শক সেবা ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তির আওতায় আনা,
- প্রকল্পের জন্য ক্রয় কৌশলের আলোকে বিস্তারিত ক্রয় পরিকল্পনা প্রণয়ন,
- রিভার্স অকশন পদ্ধতি প্রবর্তন এবং
- টেকসই সরকারি ক্রয় (SPP)-এর আইনগত স্বীকৃতি, ইত্যাদি।
উল্লেখ্য, পিপিআর ২০০৮-এ ইতোমধ্যে ৭ বার সংশোধনী আনা হয়েছে। এবার উক্ত খসড়ায় বড় পরিসরে সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বিভিন্ন পরামর্শ, অভিজ্ঞতা ও বাস্তব চর্চার আলোকে প্রণয়ন করা হয়েছে মর্মে জানা গিয়েছে।
তারই আলোকে বিপিপিএ-এর ওয়েবসাইটে পিপিআর ২০০৮ এর খসড়া সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে।
বিপিপিএ’র তত্ত্বাবধানে এ বিষয়ে National Trainers, আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রতিনিধি এবং দরপত্রদাতাদের সঙ্গে আরও পরামর্শমূলক কর্মশালা ১১ আগস্ট ২০২৫ এর মধ্যে আয়োজনের করা হবে মর্মে জানা গিয়েছে। সবার মতামত গ্রহন শেষে এই পিপিআর ২০০৮-এর ৮ম সংশোধনী চুড়ান্ত করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

Collusion in the Belgian Newspaper Distribution Sector
The Belgian competition authority has concluded its formal inquiry into systemic bid-rigging and horizontal agreements within the public procurement process

ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ, কবে মিলবে সমাধান ?
সরকারি ক্রয় কার্যক্রমের একমাত্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ই-জিপি (e-GP) পোর্টালে গত কয়েকদিন ধরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবহারকারীরা। সাইটটির ধীরগতি এবং যান্ত্রিক

সরকারি ক্রয়ে রেকর্ড ব্যবস্থাপনাঃ আইনি কাঠামো ও ব্যবহারিক নির্দেশিকা
প্রকৌ: মো: মোকতার হোসেন MCIPS, PMP, CPCM উপ-পরিচালক (নির্বাহী প্রকৌশলী) নক্সা ও পরিদর্শণ-১ পরিদপ্তর, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, ঢাকা। মোবাইল: ০১৭২২০৪৪৩৩৫ ইমেইল: moktar031061@gmail.com

লাম্প সাম নাকি টাইম-বেসড কন্ট্রাক্ট – কোনটি কখন ব্যবহার করবেন ?
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বা সরকারি ক্রয়ে প্রধানত কাজের ধরন ও মূল্য পরিশোধের পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের চুক্তি করা হয়।