নির্বাচনী এলাকায় চলমান প্রকল্প চলবে
নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী চলমান প্রকল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যাবে। গত ০৪.১২.২৩ ইং তারিখে এই নির্দেশনা জারী হয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের জারীকৃত নির্দেশনাটি নিচে দেওয়া হলঃ

উপরোক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী যা যা করা যাবে মর্মে স্পষ্ট করা হয়েছে তা হলো:
- চলমান প্রকল্পের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা,
- পূর্বে অনুমোদিত ও চলমান প্রকল্পসমূহের অর্থ অবমুক্ত, অর্থছাড় ও বিল, পরিশোধ করা,
- অনুমোদিত প্রকল্পের প্রশাসনিক আদেশ জারী রাখা,
- চলমান প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি,
- প্রকল্পের খাত পরিবর্তন (রাজস্ব-মূলধন)।
উপরোক্ত নির্দেশনায় প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পের আওতায় স্কীম বা প্যাকেজের বিষয়টা স্পষ্ট নয়। অর্থাৎ অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর স্কীম বা প্যাকেজের নতুন টেন্ডার আহ্বান বা চুক্তি করা যাবে কি না এগুলো পরিষ্কার করা দরকার ছিল বলে অনেকেই মনে করছেন।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

১টি ৩৫ কোটি টাকার রাস্তার কাজ যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছিল। এখন, কাজ চলাকালীন ভেরিয়েশন লাগবে। কিছু আইটেমের কাজ কমে যাওয়ায় ৩৫ কোটি টাকার মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করা যাবে। সমস্যা হলো, ৫টি Non-Tender আইটেম লাগবে যা সব মিলে ৩.৫ কোটি টাকার। এখন, এক্ষেত্রে কি ভেরিয়েশন লাগবে ? কে অনুমোদন দিবে, মন্ত্রণালয় নাকি HOPE ?
চুক্তি সম্পাদনের পর হতে উক্ত চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন বা বাতিল পর্যন্ত সময়ে প্রশাসনিক, আর্থিক, ব্যবস্থাপনাগত ও কারিগরী কারনে চুক্তির ভেরিয়েশন

রেডিও Talk: আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস
বিস্তারিত দেখুনঃ আন্তর্জাতিক প্রকিউরমেন্ট দিবস

রেডিও Talk: ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি সাইটে ভোগান্তি: ব্যবহারকারীদের ক্ষোভ, কবে মিলবে সমাধান ?

রেডিও Talk: ই-জিপিতে ব্যক্তি পরামর্শকদের রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে বৈষম্য
বিস্তারিত দেখুনঃ ই-জিপি রেজিস্ট্রেশন ফিঃ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পরামর্শকদের মধ্যকার বৈষম্য