ই-জিপিতে ডিবারমেন্ট পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত হয়েছে
সম্প্রতি বিপিপিএ (BPPA, সাবেক সিপিটিইউ) কর্তৃপক্ষ ই-জিপি সিস্টেমে ডিবারমেন্ট (Debarment) বা কালো তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ জারী হলে তা সংশোধনের জন্য একটি নতুন প্রক্রিয়া চালু করেছে। এই প্রতিবেদনে উক্ত নতুন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
ডিবারমেন্ট এবং স্থগিতাদেশ প্রেক্ষাপট
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬ এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী, কোনো ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান যদি কোনো বিধান লঙ্ঘন করে, তবে তাকে ডিবার (Debar) বা সংশ্লিষ্ট ক্রয় কার্যক্রমে বা ভবিষ্যতে অন্য কোনো ক্রয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অযোগ্য বলে ঘোষণা করা যায়।
সেক্ষেত্রে, ক্রয়কারী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একটি প্রতিবেদন ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধানের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করেন। এই সুপারিশের ভিত্তিতে ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্রয়কার্যে অংশগ্রহণে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
সম্পুর্ন Debarment প্রক্রিয়াটি এখন ই-জিপিতেই করা যায়। এই ডিবার e-GP সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিপিপিএ এর ওয়েবসাইটে এবং e-GP পোর্টালে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়।

বিস্তারিত পড়তে লগইন করুন।
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

প্রকল্পের পিডি কি বাইরে থেকে নিয়োগ দেয়া যাবে ?
সম্প্রতি প্রকল্প পরিচালক (PD: Project Director) নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়ে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পিডি নিয়োগ করা

অত্যধিক নিম্নদরের দরপত্র কি চক্রান্তমূলক কর্ম ?
বিস্তারিত দেখুনঃ “অত্যধিক নিম্নদরের দরপত্র” বনাম “চক্রান্ত”: একটি বিশ্লেষণ

“অত্যধিক নিম্নদরের দরপত্র” বনাম “চক্রান্ত”: একটি বিশ্লেষণ
সম্প্রতি বিপিপিএ (BPPA: Bangladesh Public Procurement Authority) হতে অত্যধিক নিম্নদরে দরপত্র দাখিল হওয়ার নিয়ে একটি পরিপত্র জারী হয়েছে যেখানে এই

ন্যাশনাল প্রকিউরমেন্ট ট্রেইনার নিয়োগ ২০২৬ | BPPA Trainer Pool
বিস্তারিত দেখুনঃ ন্যাশনাল প্রকিউরমেন্ট ট্রেইনার পুল সম্প্রসারণ হচ্ছেঃ আবেদনের বিস্তারিত জানুন