প্রকাশ্যেই টেন্ডার বেচাকেনা হচ্ছে …
………………… …………………
উপরের স্ক্রিনশটটি একটি ফেসবুক পেইজ থেকে স্ট্যাটাস দেয়ার কিছুক্ষন পরপরই নেয়া হয়েছে।
কি … কিছু বোঝা গেল … !!! চলেন … আমরাও অলাভজনক সাপেক্ষে হলেও কিছু আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাই।
শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারি গন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। এক বছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে ক্লিক করুন।
দরপত্র জমা হবার আগেই দরপত্র বেচাকেনা চলছে। একদম খোলামেলা ভাবেই। বিশ্বব্যাংক, টিআইবি সহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকার প্রতিবেদনেও এগুলো উঠে আসছে। সরকারি টেন্ডারে সিন্ডিকেট অপ্রতিরোদ্ধ হয়ে উঠেছে। আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে সবার জ্ঞাতসারেই হচ্ছে। প্রকিউরমেন্টবিডি.কম অনেক আগে থেকেই এরকম আলামত তুলে ধরছে। কিছু নমুনা দেয়া হলঃ
– টার্নওভার এর জন্য হাহাকার
– বর্তমানে ই-জিপি তে দরপত্রদাতারা কি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন ……???
– টেন্ডারে ঠিকাদারদের রেট সমান হওয়া এখন আর কাকতালীয় নয়
– ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে
– দরপত্রে কাজ কে পাবে তা এমপিরাই ঠিক করেন
– ১০% আইন বাতিল এখন সময়ের দাবী
– বড় ঠিকাদারদের রাজত্ব চলছে
– ১০% দরসীমায় টেন্ডারের বিষয়ে তীব্র আপত্তি
– দরপত্রে ঠিকাদারদের অংশগ্রহণ কমেছে
সরকারি ক্রয়ে ই-জিপির (ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট) প্রবর্তনের ফলে প্রক্রিয়া সহজ হলেও কার্যাদেশ পাওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব, যোগসাজশ ও সিন্ডিকেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সব ধরনের সরকারি ক্রয়ে ব্যবহৃত না হওয়ার পাশাপাশি নানা রকম সীমাবদ্ধতা থাকায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একাংশ ই-জিপির মাধ্যমে দুর্নীতির নতুন পথ খুঁজে নিয়েছে।
এখন, কর্তৃপক্ষ একটা পথ খুঁজে পেলেই হয় …
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রক্রিয়া সহজীকরণে পরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগ
সরকারি বিনিয়োগের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকার “সরকারি খাতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধন

কনসালট্যান্টের প্রাথমিক চুক্তি ১৮ মাসের। একবার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন আবারও ১০০% সময় বৃদ্ধি লাগবে। করা যাবে কি না ? PPR-০৮ নাকি ২৫ অনুসরণ হবে ?
উন্নয়ন প্রকল্পে ৩ লাখ টাকা বেতনে পিপিআর ২০০৮ অনুযায়ী একজন কনসালট্যান্টের ১৮ মাসের জন্য ৫৪ লক্ষ টাকার প্রাথমিক চুক্তি ছিল।

মন্ত্রীদের প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষমতায় লাগামঃ নতুন বার্তা
বাংলাদেশে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এতদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা স্ব-শাসিত সংস্থা

আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০২৬ জারীঃ সরকারি ক্রয় ও ব্যয় প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন
দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো পরিবর্তন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ-২০১৫’ বাতিল
1 thought on “প্রকাশ্যেই টেন্ডার বেচাকেনা হচ্ছে …”
Hiya very nice website!! Guy .. Excellent .. Wonderful ..
I will bookmark your site and take the feeds also? I am happy to
seek out so many helpful info here in the put up, we need work out
extra techniques on this regard, thanks for sharing. . . . .
.