দরপত্র জামানত (Tender Security) কখন কি কারনে বাজেয়াপ্ত হবে ?
সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে দরপত্র জামানত বা টেন্ডার সিকিউরিটি (Tender Security) একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ। এটি ক্রয় কার্যক্রমে ক্রয়কারিকে এক প্রকার সুরক্ষা দেয় যেন সুযোগ্য দরদাতা চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য থাকে।
দরপত্রে অংশগ্রহনকারি দরপত্রদাতাদের ক্রয়কারি কর্তৃক নির্ধারিত দরপত্র জামানত টেন্ডার জমা দেয়ার সময় টেন্ডারের সাথেই দিতে হয়। দরপত্র জামানত হিসেবে ব্যাংক গ্যারান্টি, বন্ড, পে অর্ডার, ব্যাংক ড্রাফট ইত্যাদি জমা দেয়া যায়।
কোন নির্দিষ্ট দরপত্রদাতা ক্রয় আইন-বিধি অনুযায়ি প্রয়োজনীয় শর্ত না মানলে এই দরপত্র জামানত বাজেয়াপ্ত হতে পারে।
আজকের বিষয়, দরপত্র জামানত বা Tender Security কখন কি কারনে বাজেয়াপ্ত হবে ?
আলোচ্য বিষয়টি সম্প্রতি জারিকৃত পিপিআর-২০২৫ এবং পূর্বের পিপিআর-০৮ এর আলোকে তুলে ধরা হলো।
বিস্তারিত জানার জন্য সাবস্ক্রাইব করুনঃ
শুধুমাত্র Registered ব্যবহারকারিগন-ই সব ফিচার দেখতে ও পড়তে পারবেন। এক বছরের জন্য Registration করা যাবে। Registration করতে ক্লিক করুন।
আরও দেখুনঃ
এই লেখকের অন্যান্য লেখা

ই-জিপিতে NOA দেয়ার পর ঠিকাদার চুক্তি করছে না, সমাধান কি ?
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন/বিধি অনুযায়ি কোন দরপত্র মূল্যায়ন শেষ হলে তারপর তা যথাযত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হয়। এরপর সর্বনিম্ন দরদাতা

NOA ইস্যু’র পর ঠিকাদার চুক্তি না করলে করণীয় কি ?
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন/বিধি অনুযায়ি কোন দরপত্র মূল্যায়ন শেষ হলে তারপর তা যথাযত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হয়। এরপর সর্বনিম্ন দরদাতা

রিভিউ প্যানেলে আগত অভিযোগ এবং সিদ্ধান্ত ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত রাখা উচিত
রিভিউ প্যানেল সিদ্ধান্ত প্রদানের পর, আপীলে উত্থাপিত অভিযোগ ও প্রদত্ত সিদ্ধান্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখার উচিত। বিষয়টিতে ক্রয়কারি এবং ঠিকাদারি

টেন্ডার ওপেন হবার আগেই কোনো বিষয় নিয়ে কি রিভিউ প্যানেলে অভিযোগ করা যাবে ?
এই অভিযোগ নিয়ে আর অভিযোগের শেষ নাই। কি একটা অবস্থা !!! দরপত্র (টেন্ডার) আহবানের পর ঠিকাদার হিসেবে আপনার বিভিন্ন কারণে